শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম দিনে তারেক রহমানের ১০ কর্মসূচিতে ৩৬০ ডিগ্রি কূটনৈতিক কৌশলের প্রতিফলন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি মাসে সর্বোচ্চ চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ভিত্তি পারস্পরিক সুবিধা: সিজিটিএন জরিপ সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা: এইচআরডব্লিউ মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমান ও এরদোগানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব নিউইয়র্কে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে অপরাধের অভিযোগ: মোজাফফরের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়!

‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে অংশীদারিত্বকে কৌশলগত সুযোগ: জোসিপোভিচ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

ক্রোয়েশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো জোসিপোভিচ চায়না মিডিয়া গ্রুপকে (সিএমজি) একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, বিশ্ব কখনোই একক শক্তিশালী রাষ্ট্রের একতরফা আধিপত্যে ফিরে যেতে পারবে না। বহুমুখী বিশ্বের প্রবণতা স্পষ্ট এবং ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। ইউরোপের উচিত চীনের প্রতি ভিত্তিহীন উদ্বেগ ত্যাগ করা, কারণ চীন এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রশংসা করে জোসিপোভিচ বলেন, এ উদ্যোগগুলোর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। তিনি চীনের প্রযুক্তিগত অর্জন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমোবাইল, টেলিভিশন ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রশংসা করেন। চীনের শহরগুলো আধুনিক, পরিচ্ছন্ন এবং উন্নত অবকাঠামো সম্পন্ন।

চীনা নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানও স্পষ্টভাবে উন্নত হয়েছে। তিনি বলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, চীন কেবল একটি সমমর্যাদার অংশীদারই নয়, বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ব অর্থনীতিতে তারা একটি প্রভাবশালী বৈশ্বিক অংশীদার। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে জোসিপোভিচ বলেন: চীন ও ক্রোয়েশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। দু’দেশের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ধরনের বিরোধ নেই। এটি উভয় দেশের জন্যই খুব ভালো। যদিও চীন একটি বিশাল দেশ এবং ক্রোয়েশিয়া একটি ছোট রাষ্ট্র, তবুও পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত মসৃণ এবং এটি ক্রমাগত গভীর হচ্ছে। ক্রোয়েশিয়া ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সম্পর্কে মূল্যায়ন এ প্রশ্নের জবাবে জোসিপোভিচ বলেন, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং একজন মহান ও সফল নেতা। চীন এবং প্রেসিডেন্ট সি সব দেশ ও তাদের রাষ্ট্রপ্রধানদের সমান চোখে দেখেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি প্রমাণ করে যে, চীন রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সমতার নীতিটি প্রকৃতপক্ষে বোঝে এবং বাস্তবে প্রয়োগ করে। চীনের পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা সম্পর্কে জোসিপোভিচ বলেন: এটি চীনের উন্মুক্তকরণ নীতির ধারাবাহিকতা প্রদর্শন করে, যা অত্যন্ত জরুরি। একই সাথে, এটি ক্রোয়েশিয়ার জন্য ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার এবং চীনের সাথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আরও সুযোগ তৈরি করেছে। চীন আন্তর্জাতিক প্রকল্প ও বৈদেশিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বদা পারস্পরিক লাভ বা ‘উইন-উইন’ নীতি অনুসরণ করে, যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য কিছু বড় দেশ এই নীতি অনুসরণ করে না, যার ফলে চীনের অবস্থান আলাদা। সাক্ষাৎকারে জোসিপোভিচ বারবার চীনা দর্শন ও সংস্কৃতির প্রতি তার অনুরাগের কথা জানান। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও গাড়ি তৈরির মতো খাতে চীনের সাফল্যের উচ্চ প্রশংসা করেন। তিনি আবারও আশা প্রকাশ করেন যে, ইউরোপ চীন সম্পর্কে তাদের তথাকথিত ‘উদ্বেগ’ দূর করবে এবং ইউরোপ ও চীনের উচিত একে অপরের পরিপূরক হয়ে আরও নিবিড় অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা। সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD