শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমাজকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ফু ছোং ২৪ মার্চ (মঙ্গলবার) নিরাপত্তা পরিষদের ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে উন্মুক্ত বৈঠকে বলেন, আন্তর্জাতিক সমাজ ফিলিস্তিন সমস্যার পুনরায় প্রান্তিকীকরণ মেনে নিতে পারে না। ‘দুই রাষ্ট্র সমাধান’ বাস্তবায়নে অপরিবর্তনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত এবং দ্রুত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সমর্থন করা উচিত। এই প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের প্রধান ভূমিকা পালন করা উচিত।

ফু ছোং বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন অব্যাহতভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, উত্তেজনা তীব্রভাবে বাড়ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলছে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিন সমস্যাও দ্রুত জটিল আকার ধারণ করছে। এই কঠিন সামনে আন্তর্জাতিক সমাজকে রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি দেখাতে হবে এবং জোরালো পদক্ষেপের মাধ্যমে ফিলিস্তিন সমস্যার দ্রুত, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।
ফু ছোং বলেন, গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর ইসরায়েল তার হামলা অব্যাহত রেখেছে। এতে ইতোমধ্যে ছয় শতাধিক গাজাবাসী নিহত হয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েল মানবিক সহায়তা দেশের পর নিষেধাজ্ঞা আরও জোরদার করেছে এবং বারবার রাফাহ ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে, যা গাজার মানবিক সংকটকে আরও গভীর করছে।

ফু ছোং জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানের একমাত্র স্বীকৃত যুক্তিসঙ্গত পথ হলো ‘দুই রাষ্ট্র সমাধান’। অন্য যেকোনো ব্যবস্থা বা নতুন কাঠামো প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘ফিলিস্তিনিরাই ফিলিস্তিন শাসন করবে’—এই নীতি মেনে চলতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে এবং ‘দুই রাষ্ট্র সমাধান’কে সমর্থন করতে হবে, এটি ধ্বংস করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩-এর প্রয়োজনীয়তা প্রস্তাব অনুযায়ী সময়মতো নিরাপত্তা পরিষদে প্রাসঙ্গিক অবস্থা জানাতে হবে। গাজা ও পশ্চিম তীর উভয়ই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আন্তর্জাতিক সমাজকে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড হস্তগত করার যেকোনো প্রচেষ্টা এবং ‘দুই রাষ্ট্র সমাধান’-এর ভিত্তি ক্ষুণ্ণ করে এমন যেকোনো একতরফা পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

সূত্র:আনন্দী-তৌহিদ-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD