শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বেইজিংয়ের মহাগণভবনে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সংসদের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মিল্টন ডিকের সঙ্গে চীনের জাতীয় গণকংগ্রেসের (এনপিসি) স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান চাও ল্যচি বৈঠক করেছেন।

২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বৈঠকে চাও ল্যচি বলেন, গত বছর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বেইজিংয়ে সফলভাবে বৈঠক করেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে ওই বৈঠক।

তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দুই দেশের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন, বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান আরও ঘনিষ্ঠ করা, পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা বাড়ানো এবং বাস্তব সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করতে ইচ্ছুক চীন।

চাও ল্যচি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতাও স্থিতিশীলভাবে এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, বাস্তবতা প্রমাণ করেছে, সমতার ভিত্তিতে সহাবস্থান, মতপার্থক্য পাশে রেখে অভিন্নতা খোঁজা এবং পারস্পরিক কল্যাণমুখী সহযোগিতা দুই দেশের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, উভয়পক্ষের উচিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের রাজনৈতিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করা, একে অপরের কেন্দ্রীয় স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগকে সম্মান করা এবং মতপার্থক্য ও সংবেদনশীল বিষয় যথাযথভাবে মোকাবিলা করা। পাশাপাশি কৃষি, খনিজ সম্পদ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি সবুজ উন্নয়ন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন বলেও জানান চাও ল্যচি।

শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন ও তরুণদের মধ্যে বিনিময় অব্যাহতভাবে জোরদার করতে চীন ইচ্ছুক বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে জাতিসংঘকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আরও ন্যায্য ও যুক্তিসংগত বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে দুই দেশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

মিল্টন ডিক বলেন, অস্ট্রেলিয়া ও চীনের বিভিন্ন খাতে বাস্তব সহযোগিতা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিনিময়ের জন্য উপকারী হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের চীন সফরে অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্যরা রয়েছেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল উন্নয়ন সবার প্রত্যাশা।

ডিক বলেন, অস্ট্রেলিয়া এক চীন নীতি অনুসরণ করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য, সংস্কৃতি, কৃষি, খনিজ সম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে ইচ্ছুক।

সূত্র: সুবর্ণা, ফয়সল, শিশির, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD