শিরোনাম :
সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৩ হাজারের বেশি বিদেশি আটক রাখাইনে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৩৩ চীনের নতুন ধরনের ব্যাটারি শিল্পের উন্নয়নে সাত বিভাগের যৌথ পরিকল্পনা বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে এআইআইবি বৈশ্বিক সংঘাত ও বৈষম্য মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান হান চেংয়ের কৃষি ও বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমবার কক্ষপথে স্টারশিপ, সমুদ্রে বিধ্বস্ত রকেট ভ্যাট রিটার্ন জমায় নতুন নিয়ম, প্রতি কর মেয়াদে ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল বোয়িং কেনায় ‘গোপন এজেন্ডা নেই’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত আইরিন খানের

বিশ্বকাপের বল পাকিস্তানে, জার্সিতে বাংলাদেশের ছাপ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম বড় আয়োজন ফিফা বিশ্বকাপের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর ফুটবল ও জার্সি উৎপাদনে এই দুই দেশের অবদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে স্বীকৃত।

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোট শহর দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফুটবল উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের ফুটবল এই শহরে তৈরি হয়। বিশেষ করে শিয়ালকোটের ‘ফরওয়ার্ড স্পোর্টস’ কারখানা বহু বছর ধরে জার্মান ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে কাজ করে আসছে।

ফিফা বিশ্বকাপের বিভিন্ন আসরে ব্যবহৃত অফিসিয়াল বলের নকশা ও বিপণন অ্যাডিডাসের হলেও সেগুলোর উৎপাদনের বড় অংশ সম্পন্ন হয়েছে শিয়ালকোটের কারখানাগুলোতে। আধুনিক ‘থার্মো বন্ডিং’ প্রযুক্তির মাধ্যমে সেলাইবিহীন উচ্চমানের ফুটবল তৈরিতে এ অঞ্চল বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে।

অন্যদিকে তৈরি পোশাক শিল্পে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া পোশাক উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। অ্যাডিডাস, নাইকি, পুমাসহ বিভিন্ন বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের স্পোর্টস জার্সি ও অন্যান্য ক্রীড়া পোশাক বাংলাদেশের বিভিন্ন কারখানায় তৈরি হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ, ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বহু দেশের খেলোয়াড়দের জার্সি ও অনুশীলন পোশাক বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়েছে। গুণগত মান, প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন ব্যয় এবং দক্ষ জনশক্তির কারণে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

এ ছাড়া পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার দিকেও এগিয়ে যাচ্ছে দেশের পোশাক খাত। বর্তমানে অনেক কারখানায় পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল থেকে সুতা তৈরি করে আন্তর্জাতিক মানের জার্সি উৎপাদন করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক ক্রীড়া সরঞ্জাম ও পোশাক শিল্পে পাকিস্তানের শিয়ালকোট এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত দক্ষিণ এশিয়ার সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD