শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতিতে সমাধানের পথ দেখছে বেইজিং

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

তাইওয়ান ইস্যু সম্পূর্ণভাবে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এতে কোনও ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তাইওয়ান বিষয়ক কার্যালয়। গত বুধবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কার্যালয়ের মুখপাত্র জু ফেং লিয়ান এই মন্তব্য করেন।

মুখপাত্র বলেন, তাইওয়ান হচ্ছে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত একচীন নীতি এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যৌথ ইস্তাহার কঠোরভাবে মেনে চলা। বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে কথা ও কাজে তাদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ উপায়ে দেশের পুন একত্রীকরণ এবং ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতিই তাইওয়ান ইস্যু সমাধানে চীনের মৌলিক অবস্থান। চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণের জন্য এই একীকরণ অপরিহার্য।

জু ফেং লিয়ান আরও জানান, চীন শান্তিপূর্ণ একীকরণের জন্য সর্বোচ্চ ধৈর্য ও আন্তরিকতা দেখাতে ইচ্ছুক এবং এ জন্য বিশাল অবকাশ তৈরি করতে চায়। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, চীন কখনোই জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ হতে দেবে না। তিনি বলেন, “আমরা কখনোই শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি নাকচ করার প্রতিশ্রুতি দেব না। যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার চীনের সংরক্ষিত থাকবে।
বর্তমানে তাইওয়ান প্রণালির উত্তপ্ত পরিস্থিতির জন্য ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে তিনি বলেন, বহিরাগত শক্তির ইন্ধনে তাদের ক্রমাগত উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডই এই সংকটের মূল কারণ। ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’র যেকোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিতে এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চীনের দৃঢ় সংকল্প, পূর্ণ আস্থা ও পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে জু ফেং লিয়ান উপরোক্ত মন্তব্যগুলো করেন। উল্লেখ্য, ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, ২০২৭ সালে তাইওয়ানে সামরিক হামলার কোনও পরিকল্পনা চীনের নেই এবং তারা অসামরিক পথেই একীকরণে আগ্রহী। তবে, চীন ২০৪৯ সালের মধ্যে জাতীয় পুনর্জাগরণ অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার অব্যাহত রেখেছে।

সূত্র:শিশির-তৈহিদ-আনন্দী,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD