শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

এক-চীন নীতিতে অটল কানাডা: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সাথে সি চিন পিংয়ের বৈঠক

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬

বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে ১৬ জানুয়ারি,চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক বৈঠক করেছেন।

সি চিন পিং বলেন, চীন ও কানাডা সম্পর্কের সুষ্ঠু ও স্থিতিশীল উন্নয়ন দুই দেশের যৌথ স্বার্থ এবং বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য অনুকূল। দুই দেশের উচিত চীন-কানাডা নতুন ধরনের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং এই সম্পর্ককে সুষ্ঠু, স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া, যাতে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ বয়ে আনা যায়।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য সি চিন পিং চারটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন:
প্রথমত, পারস্পরিক সম্মানের অংশীদার হওয়া। চীন ও কানাডার জাতীয় পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, যৌথ উন্নয়নের অংশীদার হওয়া। চীন ও কানাডা সম্পর্কের মূল কথা হলো পারস্পরিক উপকারিতা ও ‘উইন-উইন’ বা জয়-জয় সহযোগিতা। চীনের উচ্চমানের উন্নয়ন ও উন্মুক্তকরণ চীন-কানাডা সহযোগিতার জন্য টেকসইভাবে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

তৃতীয়ত, পরস্পরের বিশ্বস্ত অংশীদার হওয়া: দুই দেশের উচিত শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন, ক্রীড়া ও বিভিন্ন মহলের বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার করা।
চতুর্থত, পারস্পরিক সহযোগিতার অংশীদার হওয়া: চীন কানাডার সঙ্গে জাতিসংঘ, জি-২০, এপেক-সহ বিভিন্ন কাঠামোর আওতায় বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার করতে এবং যৌথভাবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ইচ্ছুক।

কার্নি বলেন, কানাডা চীনের সঙ্গে শক্তিশালী ও টেকসই নতুন ধরনের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ সৃষ্টি করতে ইচ্ছুক। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে চীনের অর্থনীতি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে শক্তি যুগিয়েছে। কানাডা এক-চীন নীতি মেনে চলে। দেশটি চীনের সঙ্গে আর্থ-বাণিজ্য, জ্বালানি, কৃষি, অর্থ, শিক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করতে আগ্রহী। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উত্থাপিত ‘বিশ্ব পরিচালনা উদ্যোগ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কানাডা চীনের সঙ্গে বহুপক্ষীয় সমন্বয় নিবিড় করতে, বহুপক্ষবাদ রক্ষা করতে এবং যৌথভাবে বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করতে ইচ্ছুক।
সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD