শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

ইসলামোফোবিয়া শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি:

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলামোফোবিয়ার প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে চীন। ১৬ মার্চ (সোমবার), আন্তর্জাতিক ইসলামোফোবিয়া বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় দেওয়া ভাষণে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থী মতাদর্শ ও সভ্যতার সংঘাতকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করা, শান্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

সুন লেই আরও বলেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এটি সমগ্র মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রচেষ্টাকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করে।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক অংশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই একযোগে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংহতি ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত ও মতপার্থক্য নিরসনে কাজ করতে হবে। অবশ্যই যৌথভাবে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের পথে এগোতে হবে, যাতে জনগণ উন্নয়নের সুফল ও সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য ভোগ করতে পারে।

সুন লেই বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ-অর্থাৎ দারিদ্র্য ও অসমতা দূর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই যৌথভাবে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে, বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, জনগণের মধ্যে বন্ধনকে লালন করতে হবে এবং সব ধরনের বাধা ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে হবে।

সূত্র:লিলি-তৌহিদ-রুবি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD