শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম দিনে তারেক রহমানের ১০ কর্মসূচিতে ৩৬০ ডিগ্রি কূটনৈতিক কৌশলের প্রতিফলন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি মাসে সর্বোচ্চ চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ভিত্তি পারস্পরিক সুবিধা: সিজিটিএন জরিপ সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা: এইচআরডব্লিউ মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমান ও এরদোগানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব নিউইয়র্কে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে অপরাধের অভিযোগ: মোজাফফরের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়!

ইবোলা পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ডব্লিউএইচওর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

আফ্রিকার কয়েকটি অঞ্চলে ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাবকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। কঙ্গো ও উগান্ডায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে সংস্থাটি এটিকে ‘আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে এবং সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে রোগটি সীমান্ত অতিক্রম করে উগান্ডায় পৌঁছেছে। সেখানে কঙ্গো থেকে যাওয়া দুজনের শরীরে ইবোলা শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের ভাইরাসটি ‘বুন্দিবুগিও’ নামের একটি বিরল ভ্যারিয়েন্ট, যার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিষেধক নেই। সংক্রমণের ধরন ও মৃত্যুহার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত এক নার্স গত এপ্রিল মাসে উপসর্গ নিয়ে মারা যান। এরপর খনি অধ্যুষিত ও জনবহুল এলাকাগুলোতে মানুষের চলাচলের কারণে রোগটি দ্রুত বিস্তার লাভ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ওপর কড়াকড়ি নজরদারি এবং কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। তবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধের পরিবর্তে সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।

আফ্রিকা সিডিসির মহাপরিচালক জিন কাসেয়া বলেন, সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা সংকটের কারণে রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সমন্বিত আন্তর্জাতিক সহায়তা না এলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD