জীবন একটি বহমান নদী। সে নদী কখনো হয় খরস্রোতা, কখনো শান্ত, কখনো সে নদী চলতে চলতে হঠাৎ করে থমকে দাঁড়িয়ে মোড় নেয় অন্য দিকে, কখনো আবার সে নদী শুকিয়ে সৃষ্টি
পরাধীন ভারতে স্বপ্নের দেশের মানচিত্র একেছিলেন অকাল প্রয়াত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। তার ‘দুর্মর’ কবিতার শুরু এভাবেই, ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলা দেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে, সে কোলাহলে রুদ্ধস্বরের
বহু দিন ধরে হারিয়ে যাওয়া দুঃখগুলো খুঁজি আমার এই সুখভরা জীবনে একটি দুঃখও অবশিষ্ট নেই দুঃখরা আমাকে ছেড়ে যেতে যেতে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে দুঃখবিহীন এই কী দুঃসহ মানব জীবন !
দে’হান্তর মানেই নি’শ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া না… শে’ষ হয়ে যাওয়া না চলে যাওয়া মানে প্রস্থান না চলে যাওয়ার পরও অনেক স্মৃ’তি যেমন থেকে যায় হৃদয়ের চিলেকোঠায়!! তেমনি অনেক অনেক কথাও শুরু
এদিক ওদিক যে দিক খুশী চলে যাব পিছলে গিয়ে হাঁটতে যখন ঢের শিখেছি পড়ব কেন? কেউ পড়ে না পিছলা পথে চলতে জেনে বেশ শিখেছি কেমনে হাঁটে। নাচতে আমি ঢের শিখেছি
বিবেক তুমি তোমাকে জাগ্রত রাখতে কেন পারছো না…? কি করে রাখবো বল ওরা আমায় ঠিক থাকতে দিচ্ছে কই… যখনই বলি থামো এবার তখনই ওরা বিষ ঢেলে দেয় আমার গহ্বরে আমি
যে তোমার হৃদয় ভেঙে করেছে তছনছ, যে তোমায় করিবে ঘৃণা ও হিংসা দুঃখ করোনা, করিতে দাও তারে!! অহংকারী ওই হৃদয় ভাঙাকারী, তোমাকে সুন্দর করিতে তোমাকে আরো শুদ্ধ করিতে এসেছে পৃথিবীর
স্বপ্ন দারে এসে স্বপ্ন কে বলি তুমি কেন হানা দাও ঘুমোঘোরে, যখন জেগে থাকি তখন এলে ক্ষতি কি ছিল? স্বপ্ন হেসে বলে আমি যে তোমার ঘুমো মাঝে বিচরণ করতে ভালোবাসি…
এখন স্নিগ্ধতার ভোর চারদিকে হালকা হিমাচল আমি জানালা খুলে রাখি চারদিকে পাখির ডাক আর মৃদুল হিমাচলতায় ভেসে আসছে গোলাপ, হাস্নাহেনার, উফ্ সেকি সুভাসিত গন্ধ পুরো ঘর আমার শরীরে যেন লেগে
আজ রাতে আমি লিখতে পারি মূল: পাবলো নেরুদা অনুবাদ: মুনীব রেজওয়ান আজ রাতে আমি লিখতে পারি সবচে দুঃখের কবিতা যেমন লেখা যায় ‘আকাশে তারাদের শোকসভা, নক্ষত্রেরা বেদনায় নীল, ওদের কম্পমান
আমি বার বার হারিয়ে যাই কেন তুমি আমায় ফিরিয়ে আনতে চাও কেন অবেলায় ভালোবেসে ডাক একটু দাও না আমায় হারাতে! আমি ওই দিগন্তে যেখানে ধরণী মিশেছে যেখানে নদী গিয়ে সাগরে
হ্রদয় পেতে দাঁড়িয়ে আছি আমার অশ্রু তে সিক্ত হতে বিশাল এক সাগর খুঁড়েছি। হ্রদয় করেছ ছিন্নভিন্ন যায় না দেখা ক্ষত অবিরত হয় রক্তক্ষরণ তোমার স্মৃতি তে ভাসি যত। ভালোবাসা কে
আমায় সে বাসবে ভালো কথা দিয়ে ছিল, হঠাৎ সে বিদায় নিলো কি জানি কি হলো। মন কাঁদলো কষ্টে আমার বুক ফাটলো দেখতে, হিসাব করে দেখলাম আমি সে আশায় নেই থাকতে।
সাগরে মতো হৃদয় নিয়ে মনের এক পাশে বসে আছি স্মৃতির মায়াজালে একা —— দুচোখে তখন স্বপ্নের ভাবনারা শিহরণ দিয়ে যায় দৃশ্যপটে দেখতে পাইনা তারে,আমার হৃদয়ের মনি কোঠায় সে নাম যে
আমি এই এক দেহের বোতলে ভালবাসা ঢেলেছিলাম সমুদ্র সমান আমি এই এক আঙুলে একযোগে বাজিয়ে ছিলাম হাজারটা ভায়োলিন আমি পায়ে হেটে পারস্য পর্যন্ত পৌঁছেছিলাম। ভালবাসা আসে ঐশী বাণীর মতো আদিষ্ট
আমি কান পেতে রই ওই বুঝি তুমি এলে মৃদু পায়ে পাশে এসে দাঁড়ালে কোথা থেকে নিয়ে এলে এক রাশ সুবাস ও কি হাসনাহেনা নাকি কামিনী! আমার এলো চুলে হাত বোলালে
সৃষ্টিতে তুমি শ্রেষ্ঠ কর্ম তোমার মহৎ, উপমা তোমার একটাই মানব তুমি সৎ। তোমার কাছে পায় কদর দুনিয়ার যত প্রাণী, তাদের কষ্টেই কষ্ট তোমার কাঁদে দেহ খানি। প্রাণীর কষ্ট লাঘব করও
ঐ উঁচু স্তম্ভের উপর দাঁয়ে আছেন যিনি তিনি হতে পারেন কোন মহা-জননী নীলিমার দিকে তার হাতের নিশানা হাতে জ্বলছে জ্ঞান-মশাল: সমৃদ্ধি, স্বাধীনতার প্রত্যয় প্রতীতির অগ্নি! একদিন সেই হাত, মাটিতে লুটিয়ে
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ-কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহ মঞ্জুরুল হকের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে কোভিড-১৯ সংক্রমনের দুর্যোগময় মুহূর্তে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দেড় হাজার হতদরিদ্রের মাঝে খাদ্যসামগ্রী
সপ্তাহে দুই দিন হাট বসে। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ হাটে আসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য ক্রয় করতে। কৃষকরা ঝুড়ি ভরে তাদের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজি ও ফলমূল হাটে বিক্রি করে। বিক্রি শেষে প্রয়োজনীয়