এখন স্নিগ্ধতার ভোর চারদিকে হালকা হিমাচল আমি জানালা খুলে রাখি চারদিকে পাখির ডাক আর মৃদুল হিমাচলতায় ভেসে আসছে গোলাপ, হাস্নাহেনার, উফ্ সেকি সুভাসিত গন্ধ পুরো ঘর আমার শরীরে যেন লেগে আছে!!!
আজ বড়ই আনমনা মন, শুধু ভালবাসার গন্ধ খুঁজছে
শীতলা প্রশান্তি তোমার বুক পাজরের যেন প্রেমের সৌরভ!!!
আজ খুব জানতে ইচ্ছে করছে, কোন ভয় নেই তোমার
আজ আমি তোমায় থেকে সহস্র যোজন দূরে…
ঢেউ তোলা কোমরে যখন পরতাম আমি বিছা,
পায়ে পরতাম বাজনা নুপুর, হাতে পরতাম সোনার চুরি
কি চঞ্চলতার শরীর দোলে গাইতে যে, ওরা শুধু ভালসবাসার সুর…
সেই সুর কি কখনো শুনিতে পাইতে
তোমার কানে??
প্রশান্ত তোমার ওই দ্বীলের পাটা, যেন অন্তরযামি হৃদয়
আমার জন্য বড়ই কঠিন, মন হয়নি তোমার সদয়,
তুমি রয়েছিলে যে আমার প্রাণে, প্রেমের মাহফিলে,
অবাক করা চিরায়ত তৃষ্ণা তুমি, আমার হৃদয়ের উর্বর
প্রেমের ভূমি!!
শত সহস্রধারা, তুমি যে আমার নয়নের আঁখিপাত
তুমি আমার ভরা, জোৎস্নার পূর্ণিমার ওই চাঁদ
তুমি আমার আজীবনের, অমৃতা ভালোবাসার স্বাদ
তোমার দূরন্ত আর কোমল, নয়নমণিতে যেন সদ্য প্রভাতের ফুটন্ত আমার বাগানের ফুল…
তাইতো সহস্র যোজন হতে ভেসে আসে
স্রোতে স্রোতে ভাঙিয়া নদীর কুল!!!