রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে আজভ সাগরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, রুশ অধিকৃত উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থানরত পাঁচটি জাহাজে তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
ইউক্রেনের ড্রোন ইউনিটের প্রধান রবার্ট ব্রভদির ভাষ্য অনুযায়ী, মারিউপোল ও বেরদিয়ানস্ক বন্দরে থাকা এসব জাহাজ অবৈধভাবে পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তার দাবি, জাহাজগুলোতে ইউক্রেনীয় শস্য, জ্বালানি এবং সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছিল।
হামলার পর আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত দুটি জাহাজে থাকা তাদের পাঁচ নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতরা ‘নাস্ত্রা’ ও ‘সারকন’ নামের জাহাজে কর্মরত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। তবে দেশটি হামলার দায় কারও ওপর চাপায়নি।
এদিকে রোমানিয়ার উপকূলের কাছে ইউক্রেনের একটি নৌ-ড্রোন বিস্ফোরণের ঘটনাও নিশ্চিত করেছে কিয়েভ। যদিও এতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেন হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। এর অংশ হিসেবে উপকূলীয় লজিস্টিক ও সরবরাহ ব্যবস্থাও এখন কিয়েভের নজরে রয়েছে।
ঘটনার সময় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি বড় অর্থনৈতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগের দিনই যুদ্ধ নিয়ে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, যা চলমান সংঘাতের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক দুই ক্ষেত্রেই নতুন মাত্রা যোগ করেছে।