শিরোনাম :
করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা কুয়েত ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শেষ হলো জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ১,১৩৭ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে স্পিকারের সংবাদ সম্মেলন আজ

রামিসা হত্যা মামলা: দুই আসামির ফাঁসি, সম্পত্তি বিক্রি করেও দিতে হবে ক্ষতিপূরণ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ভিকটিমের উত্তরাধিকারীদের জন্য অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

রবিবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে বেলা ১১টার পর ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পাঠ শুরু করেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ঘোষণা করেন।

রায়ের অংশ হিসেবে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত বলেন, এই অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না হলে আসামিদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারকের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, ঘটনার আগে শিশুটির ওপর যৌন সহিংসতা চালানো হয়েছিল এবং তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। আদালত আরও বলেন, সোহেল রানা দেওয়া স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না করায় তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

এছাড়া স্বপ্না আক্তার তার স্বামীকে পালাতে সহায়তা করেছেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলেও আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়।

রায় ঘোষণাকে ঘিরে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।

সূত্র: ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও গণমাধ্যম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD