দে’হান্তর মানেই নি’শ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া না…
শে’ষ হয়ে যাওয়া না
চলে যাওয়া মানে প্রস্থান না
চলে যাওয়ার পরও অনেক স্মৃ’তি যেমন থেকে যায়
হৃদয়ের চিলেকোঠায়!!
তেমনি অনেক অনেক কথাও শুরু হয়…
অনেক কথার বাঁ’ধ ভা’ঙা স্রোত তৈরি হয়…
কিন্তু বলতে বলতে চেয়েও কখনো বলা হয় না
হয়তো তার আগেই হয়ে যায় জীবনের ছন্দপতন!!
যে দে’অন্তর করে শুধু সেই কি চলে যায় তার কি দাহ হয়?
যে প্রগমন করে শুধু কি তাদেরই কবর হয়…
নিবিড় গহিন ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝেই হারিয়ে যায় উপরে থাকা সেই মানুষগুলি
যারা সর্বদাই জড়িয়ে থাকা একেই আত্মার আত্মা
একটি পরিবারে নির্ভর একটি সম্পর্কের সমস্ত শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকার আশ্বাস!!
বেঁচে থেকেও যেন চিতায় দাহ হয় তাদের
জীবিত থেকেও যেন কিছু মানুষের কবর হয়
শুধু নিঃশ্বাসটুকুই ছাড়তে পারে কিন্তু দেহ খানি
কফিন বন্ধি!!
রাত্রির মধ্য সময় ছিমছাম নিঝুম কি আওয়াজ যেন বাহিরে শনশন বাতাসের শব্দ ঘুম ভেঙে গেল
কিছুক্ষণ পর উপলদ্ধি করতে পেলাম বাহিরে থেকে
হচ্ছে,জানালা খুলে তাকিয়ে দেখি কি সুন্দর সবুজে ভরা গাছ!!
কিন্তু আমার কাছে আওয়াজ আসে যেন পৌষের ভরা শীতের পাতা ঝরা মরা গাছের কান্নার শনশন শব্দ
যেন হৃদয়ে আত্মচিৎকার যেন তার সর্বচ্চ হারিয়ে সে এখন
সুনসান…
না বলা কত বোবা কান্না জল
একদিন তাদের সব ছিলো আজ শুধুই মরা ডালপালা!!
ভাবছি আর জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছি তখন এতকিছুর বুঝার এত কঠিন ভাষার প্রয়োগের
এত বিশ্লেষণ করার বয়স ছিলো না
তবুও একটু চিন্তা চেতনায় ব্যতিক্রম হওয়ায়
শুধু সবকিছুই জানতে আগ্রহী হতাম
ঘরের দিকে তাকিয়ে দেখি কিছুই কমতি নেই!!
কিন্তু কেন তাহলে শূন্যতার হাহাকার আওয়াজ
তুলে…
হৃদয় মাঝে চলে যুদ্ধ বুকের ভিতর চৈত্রের পোড়াতাপ
জীবনের মাঝে যেন বৃষ্টিবিহীন কাল বৈশাখী দিন
ভাবতে ভাবতে চোখ পড়ে গেল আমার বাবার
ভাঁজ করা প্রিয় পাঞ্জাবীর উপর সাথে সাথে
হাউমাউ করে কেঁদে উঠলাম আমি বুঝতে পারলাম আমরাও আজ ওই ঝরাপাতা গাছগুলোর মতো
সেই যে চলে গেলে বাবা আজও তোমার বিষন্নতায়
রাত যতো গভীর হয় পৌষের শীতের মতো হৃদয় শুধু
থরথর কাঁপতে থাকে!!
তোমারই সাথেই আমাদেরও যেন সমস্ত স্বপ্ন
সুখ শান্তি জীবনের চাওয়াগুলো বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা গুলো যেন তোমারই সাথেই কবর হয়ে গেছে
বিলীন হয়ে গেছে আমাদের জীবনের পর্ব
ভালো থেকে প্রিয় বাবা
তোমার জন্য সবসময়ই পড়ি
রাব্বীর হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানী সগীরা!!