শিরোনাম :
বৈশ্বিক বাণিজ্য বিশ্লেষণে শক্তিশালী ভূমিকা নেবে বিএফটিআই: বাণিজ্যমন্ত্রী বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন রুনা লায়লা, জাতীয় সম্মাননা দেবে শিল্পকলা একাডেমি আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা জোরদারে মতবিনিময়, বিমান সদর দপ্তরে নৌবাহিনী প্রধান ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ চালু, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে জেলা প্রশাসনের নানা সেবা শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, নিরাপদ ব্যবহার শেখানোর ওপর জোর ববি হাজ্জাজের মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য

কোটচাঁদপুরের দাস সম্প্রদায়ের গণকবর সংরক্ষণ দাবি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মো: নজরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে দাস সম্প্রদায়রা বসবাস করছে সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই। বর্তমানে ১৪টি পরিবার বসবাস করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মে পাকিস্তানী হানাদাররা হামলা চালায় দাসপাড়ায়। একসঙ্গে চারজনকে গুলি করে হত্যা করে ।

নিজের চোখে দেখা দাসপাড়ার ভদু দাসের পুত্র রাজন দাস জানালেন, যে গর্তে চারজনের লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। সেখানে নেপিয়ার ঘাসের চাষ হচ্ছে। কলাগাছও রয়েছে বেশ কয়েকটি। জমির প্রকৃত মালিক হতদরিদ্র গোপাল দাস ফুলবাড়ি গ্রামের আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তি কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। যার কারণে গণকবরের কোনো চিহ্ন আজ আর নেই। তারা এই স্থানটি চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রবিউল ইসলাম আরো জানান, দাসপাড়ায় ১৯৭১ সালে বসতি ছিল ১০ পরিবারের। দরিদ্র পরিবারগুলোর সদস্যদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জন ছিলেন প্রতিবাদি। এই খবর শত্রু দের মাধ্যমে চলে যায় পাকিস্তানী বাহিনীর কাছে। তারা পড়ে থাকা লাশগুলো তাদের দোসররা একটি গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেন।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানী বাহিনী তাকে ডেকে মুসলিম শুনে ছেড়ে দেন। তারা একে একে গুলি করে হত্যা করে ভাদু দাস, অন্ন দাস, অঙ্গ দাস ও কিরণ দাসকে। কিরণ দাস পরের ক্ষেতের কামলা ছিলেন, বাকিরা চাটাই তৈরীর কাজ করতেন। তিনি বলেন, এই স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ব থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারতো, জানতে পারতো হানাদারদের হাতে এভাবে কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার তাজুল ইসলাম বলেন, এই স্থানটি আজো তাদের অজানা। তারা কোটচাঁদপুর উপজেলায় যেগুলো গণকবর রয়েছে সেগুলোর একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। যার মধ্যে এই স্থানটি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি বলেন, দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে এই স্থানটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD