শিরোনাম :
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব হিসেবে যোগদান করলেন বিলকিস জাহান রিমি ঢাবিতে চীনা ভাষা দিবস উপলক্ষে ডাবিং প্রতিযোগিতা তাইওয়ান প্রণালীতে জাপানি যুদ্ধজাহাজ, বেইজিংয়ের কড়া প্রতিবাদ সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত করার পর বৈঠক: ইরান এআই প্রযুক্তি চাকরি বদলায়, বেকারত্ব নয়: নোবেল জয়ী হেকমান তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বৈঠক তুর্কমেনিস্তান সফরে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী পাট খাতের উন্নয়নে জেডিপিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে-বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসিতে বাংলাদেশের ‘পিপিপি মডেল’ তুলে ধরলেন পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা সংস্কার ও উন্নয়ন উদ্যোগের দীর্ঘ তালিকা তুলে ধরে সরকারের অগ্রগতির চিত্র

কোটচাঁদপুরের দাস সম্প্রদায়ের গণকবর সংরক্ষণ দাবি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মো: নজরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে দাস সম্প্রদায়রা বসবাস করছে সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই। বর্তমানে ১৪টি পরিবার বসবাস করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মে পাকিস্তানী হানাদাররা হামলা চালায় দাসপাড়ায়। একসঙ্গে চারজনকে গুলি করে হত্যা করে ।

নিজের চোখে দেখা দাসপাড়ার ভদু দাসের পুত্র রাজন দাস জানালেন, যে গর্তে চারজনের লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। সেখানে নেপিয়ার ঘাসের চাষ হচ্ছে। কলাগাছও রয়েছে বেশ কয়েকটি। জমির প্রকৃত মালিক হতদরিদ্র গোপাল দাস ফুলবাড়ি গ্রামের আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তি কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। যার কারণে গণকবরের কোনো চিহ্ন আজ আর নেই। তারা এই স্থানটি চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রবিউল ইসলাম আরো জানান, দাসপাড়ায় ১৯৭১ সালে বসতি ছিল ১০ পরিবারের। দরিদ্র পরিবারগুলোর সদস্যদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জন ছিলেন প্রতিবাদি। এই খবর শত্রু দের মাধ্যমে চলে যায় পাকিস্তানী বাহিনীর কাছে। তারা পড়ে থাকা লাশগুলো তাদের দোসররা একটি গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেন।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানী বাহিনী তাকে ডেকে মুসলিম শুনে ছেড়ে দেন। তারা একে একে গুলি করে হত্যা করে ভাদু দাস, অন্ন দাস, অঙ্গ দাস ও কিরণ দাসকে। কিরণ দাস পরের ক্ষেতের কামলা ছিলেন, বাকিরা চাটাই তৈরীর কাজ করতেন। তিনি বলেন, এই স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ব থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারতো, জানতে পারতো হানাদারদের হাতে এভাবে কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার তাজুল ইসলাম বলেন, এই স্থানটি আজো তাদের অজানা। তারা কোটচাঁদপুর উপজেলায় যেগুলো গণকবর রয়েছে সেগুলোর একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। যার মধ্যে এই স্থানটি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি বলেন, দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে এই স্থানটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD