দেশের ওপর মৌসুমি বায়ুর প্রভাব আরও জোরালো হওয়ায় আগামী পাঁচ দিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যে সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে কয়েকটি বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার (১৯ জুলাই) প্রকাশিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, বর্তমানে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রোববার রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
সোমবার (২০ জুলাই)ও একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গার পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগের অনেক স্থানেও বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় আগের মতোই থাকবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, বুধবার (২২ জুলাই) থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকা এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই)ও একই পরিস্থিতি বজায় থাকার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তবে এদিন তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা কমে গরমের তীব্রতা হ্রাস পেতে পারে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরতে পারে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।