শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন শ্রমখাতে সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, আইএলওর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব বিশ্ব এআই নিরাপত্তায় মাইলফলক উদ্যোগের সূচনা স্মার্ট প্রযুক্তিতে দ্রুত হচ্ছে চীন-ইউরোপ রেল বাণিজ্য হামে মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়ছেই, নিশ্চিত রোগী ১৪ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণে আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত: শামা ওবায়েদ নদীর পানি বাড়ছে, ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা বিজিবিকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বহুপাক্ষিকতা রক্ষায় জাতিসংঘের গুরুত্ব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং শাংহাইয়ে, ১৭ই জুলাই, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন।

গুতেরেস ‘বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন, ২০২৬’ তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক শাসনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে চীন এসেছেন।

বৈঠকে সিন চিন পিং বলেন, জনাব আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিগত ১০ বছরে তাঁর নেতৃত্বে, জাতিসংঘ দৃঢ়ভাবে বহুপাক্ষিকতা রক্ষা করেছে, ইতিবাচকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমতাসহ নতুন উদীয়মান খাতের বৈশ্বিক প্রসাশনকে উন্নত করেছে, এবং জাতিসংঘের সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। চীন তাঁর কাজের প্রশংসা করে। চলতি বছর হচ্ছে, নয়া চীনের জাতিসংঘের বৈধ আসন পুনরুদ্ধারের ৫৫তম বার্ষিকী। ৫৫ বছরে চীন দৃঢ়ভাবে, বিশ্ব শান্তি, উন্নয়ন, এবং আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। চীন সবসময় দৃঢ়ভাবে জাতিসংঘকে সমর্থন করে।

তিনি বলেন, আমি মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার ধরণা ও চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ উত্থাপন করেছি, যার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, জাতিসংঘের অবস্থান ও কর্তৃত্ব রক্ষা করা। চীন আগের মতো ভবিষ্যতেও জাতিসংঘের সাথে সহযোগিতা জোরদার করবে, বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন এগিয়ে নেবে, এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার কাজে গতি সঞ্চার করবে।

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, বতর্মানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অস্থির ও দ্রুত পরিবর্তনশীল। আমাদের উচিত, প্রকৃত বহুপাক্ষিকতা বাস্তবায়ন করা এবং জাতিসংঘের অবস্থান ও ভূমিকা পূনরুদ্ধার করা।

তিনি বলেন, প্রথমত, সততা ও ন্যায্যতায় অবিচল থাকতে হবে। এ ছাড়া জাতিসংঘ সনদের চেতনা মেনে নিতে হবে এবং জাতিসংঘের সংস্কারকাজ উন্নত করতে হবে; তৃতীয়ত, দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। সকল দেশ একটি অভিন্ন ভাগ্যের জাহাজে বসে আছে। এজন্য একযোগে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চীন সবসময় বাস্তব কার্যকলাপের মাধ্যমে, নতুন যুগে বড় দেশগুলোর মধ্যে সুষ্ঠু সহাবস্থান বজায় রাখার পদ্ধতি অনুসন্ধান করছে, যা বিশ্বে আরও বেশি স্থিতিশীলতার যোগান দিয়েছে।

সূত্র:আকাশ-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD