শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম দিনে তারেক রহমানের ১০ কর্মসূচিতে ৩৬০ ডিগ্রি কূটনৈতিক কৌশলের প্রতিফলন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি মাসে সর্বোচ্চ চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ভিত্তি পারস্পরিক সুবিধা: সিজিটিএন জরিপ সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা: এইচআরডব্লিউ মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমান ও এরদোগানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব নিউইয়র্কে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে অপরাধের অভিযোগ: মোজাফফরের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়!

নয়া নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও সম্প্রীতির বার্তা

ফাতেমা রহমান রুমা, ফ্রাঙ্কফুর্ট ,জার্মানি:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুসংস্কৃতির এক বর্ণাঢ্য উৎসব। জার্মান বাংলা সোসাইটিসহ কয়েকটি সংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিণত হয় শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে এক প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশে।

আয়োজক হামিদুল খানের সভাপতিত্ব, পরিচালনা ও তাঁর নেতৃত্বে আনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন মেয়র ড. নার্গেস এসকান্দারি গ্রুনবার্গ। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিবিল ভোগল, কার্লহাইঞ্জ প্লাৎজ, মুস্তাফা লামজাহদি, মারি-লুইজ লেবারকে, স্টেফানি মোহর-হাউকে, মাইকে আতানাসভ ও মনিকা লিকার।

আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরে উগ্র ডানপন্থী ও নয়া নাৎসি গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রপন্থী শক্তিগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বাস্তবতায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা সমাবেশে অংশ নিয়ে গণতন্ত্র, সহাবস্থান ও বৈচিত্র্যের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

ফ্রাঙ্কফুর্টকে জার্মানির অন্যতম বহুসংস্কৃতির নগরী হিসেবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বিশ্বের নানা দেশের মানুষ ও বিভিন্ন ভাষাভাষী সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে শহরটি একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের প্রতীক হয়ে উঠেছে। সেই ঐতিহ্য রক্ষায় ঘৃণা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।

রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি উৎসবজুড়ে ছিল বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের সংগীতশিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এতে জার্মানিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

বাংলাদেশ অংশে দেশীয় সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়। পরিবেশিত হয় বাংলা গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী বাংলা রন্ধনশৈলীর বিভিন্ন পদ দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

আয়োজকদের মতে, সংস্কৃতি ও শিল্পের মাধ্যমে ঘৃণা, বর্ণবাদ ও উগ্র মতাদর্শের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা আশা প্রকাশ করেন, বহুসাংস্কৃতিক সহাবস্থান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD