শিরোনাম :
উন্নয়ন ব্যয় ৫৩ বছরের সর্বনিম্নে, শঙ্কায় অর্থনীতি ২০১৬ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী গ্রীষ্ম, জার্মানিতে গরমে প্রায় ১০ হাজার মৃত্যু পরিবর্তনের জন্য বারবার রক্ত দিতে হয়েছে জাতিকে সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ এগ্রিভোল্টাইক হবে কৃষকবান্ধব, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী বাগেরহাটে ডিবির অভিযানে উদ্ধার ১১ চোরাই গরু ও পিকআপ, গ্রেপ্তার ৩ হজ প্যাকেজ আরও সাশ্রয়ী করতে নতুন উদ্যোগ, প্রতারণায় কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মেধা ও আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের পথ তৈরি করে: ববি হাজ্জাজ হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর

উন্নয়ন ব্যয় ৫৩ বছরের সর্বনিম্নে, শঙ্কায় অর্থনীতি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে দেশের বার্ষিক উন্নয়ন ব্যয় গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। এর ফলে অবকাঠামোগত ও সামাজিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো পিছিয়ে পড়ছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে এবং সরকারি বিনিয়োগ থেকে সাধারণত যে অর্থনৈতিক গতিশীলতা তৈরি হয়, তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) গতকাল প্রকাশিত তথ্যে জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের মাত্র ৬৭.৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে পেরেছে। এই হার ১৯৭৪ সালের পর সর্বনিম্ন—অর্থাৎ স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে এডিপি বাস্তবায়নের এমন নিম্নমুখী চিত্র এর আগে দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে—আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অর্থ ছাড়ে বিলম্ব, প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ব্যয় সংকোচনমূলক নীতি। প্রতি অর্থবছরের শেষ দিকে এসে ব্যয়ের গতি বাড়িয়ে বরাদ্দ পূরণের যে চিরাচরিত প্রবণতা দেখা যায়, এবারও তা কার্যকর হয়নি।
সরকারি উন্নয়ন ব্যয় কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে। রাস্তাঘাট, সেতু, বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্পে বিনিয়োগ কমে গেলে নির্মাণ খাতসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগও সংকুচিত হয়। পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ভিত্তি তৈরিতেও বিলম্ব ঘটে, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে হলে অর্থ ছাড় প্রক্রিয়া সহজ করা, প্রকল্প পরিচালকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সময়মতো ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজ আগেভাগে সম্পন্ন করা জরুরি। অন্যথায় উন্নয়ন বাজেটের এই নিম্নমুখী প্রবণতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD