শিরোনাম :
২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী:স্বাক্ষরিত হতে পারে একাধিক সমঝোতা স্মারক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফ্রান্সের পর এবার উত্তাল ইতালি: ব্যয়বৃদ্ধি ও বাড়তি করের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র বিভিন্ন শহর, আহত ১৪১ পুলিশ রাশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার নির্মাতাদের অংশগ্রহণে নিংপোতে যুব চলচ্চিত্র সপ্তাহ মেকং নদীপথের সার্বিক সুরক্ষায় চীন, লাওস, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সমন্বিত উদ্যোগ পণ্য আমদানিকারক ও বহুজাতিক ব্র্যান্ডগুলোর অন্যতম আস্থার কেন্দ্র চীনের ক্যান্টন মেলা মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশে মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ফ্রান্সে ব্যয়বৃদ্ধিবিরোধী বিক্ষোভ রূপ নিল ভয়াবহ দাঙ্গায়: ব্যর্থতা স্বীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, পদত্যাগপত্র নাকচ মাখোঁর জাপানে কর্মসংস্থানে ঐতিহাসিক চুক্তি: আগামী ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু, মিলবে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ

উন্নয়ন ব্যয় ৫৩ বছরের সর্বনিম্নে, শঙ্কায় অর্থনীতি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে দেশের বার্ষিক উন্নয়ন ব্যয় গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। এর ফলে অবকাঠামোগত ও সামাজিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো পিছিয়ে পড়ছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে এবং সরকারি বিনিয়োগ থেকে সাধারণত যে অর্থনৈতিক গতিশীলতা তৈরি হয়, তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) গতকাল প্রকাশিত তথ্যে জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের মাত্র ৬৭.৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে পেরেছে। এই হার ১৯৭৪ সালের পর সর্বনিম্ন—অর্থাৎ স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে এডিপি বাস্তবায়নের এমন নিম্নমুখী চিত্র এর আগে দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে—আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অর্থ ছাড়ে বিলম্ব, প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ব্যয় সংকোচনমূলক নীতি। প্রতি অর্থবছরের শেষ দিকে এসে ব্যয়ের গতি বাড়িয়ে বরাদ্দ পূরণের যে চিরাচরিত প্রবণতা দেখা যায়, এবারও তা কার্যকর হয়নি।
সরকারি উন্নয়ন ব্যয় কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে। রাস্তাঘাট, সেতু, বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্পে বিনিয়োগ কমে গেলে নির্মাণ খাতসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগও সংকুচিত হয়। পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ভিত্তি তৈরিতেও বিলম্ব ঘটে, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে হলে অর্থ ছাড় প্রক্রিয়া সহজ করা, প্রকল্প পরিচালকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সময়মতো ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজ আগেভাগে সম্পন্ন করা জরুরি। অন্যথায় উন্নয়ন বাজেটের এই নিম্নমুখী প্রবণতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD