বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার সুপারিশ করেছে ভারতের সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটি। দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির নবম প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে *টাইমস অব ইন্ডিয়া*।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম সীমিত হয়ে যাওয়ায় দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং ইতিবাচক ধারণা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে ভিসা কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার সুপারিশ করেছে কমিটি।
এতে আরও বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে কনস্যুলার সহযোগিতা জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত ভিসানীতি পর্যালোচনা, আবেদনকারীদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং বৈধ ভ্রমণকারীদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমানোর বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ভিসা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করা হয় এবং কনস্যুলার কর্মীদেরও প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচটি ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই চিকিৎসা (মেডিকেল) ভিসা।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া