শিরোনাম :
নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের বৈশ্বিক সাইবার ঝুঁকির সতর্কতায় টানা ৩ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

বিমানে মানুষ কেন ভুল ভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরে?

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সে মাঝ-আকাশে দুর্ঘটনায় পড়ার পর বিমানের ভিতরকার একটি ছবিতে দেখা যায়, যাত্রীদের প্রায় সকলেই ভুলভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরে রয়েছেন। এরপর এ নিয়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, বিমানে মানুষ কেন ভুল ভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরে?
সাবেক একজন ব্রিটিশ ফ্লাইট এ্যাটেনডেন্ট ববি ল্যরি বলেন, বিমান ভ্রমণের সময় যাত্রীরা প্রায় কেউই ভ্রমনকালীন সময়ের নির্দেশনাগুলো ঠিক মত শোনেন না।
বিমান আকাশে ওড়ার পরপরই ক্রুরা ইন-ফ্লাইট ডেমনস্ট্রেশন, অর্থাৎ ভ্রমনকালীন সময়ে করনীয় সম্পর্কে যেসব ব্যাখ্যা দেন, তা প্রায় কেউই মন দিয়ে শোনেন না। সবাই  কোন বিপদ আসার সম্ভাবনাকে পাত্তাই দিতে চাননা।
কিন্তু জরুরী মূহুর্তে যাত্রীদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখা না গেলে, অক্সিজেনের অভাবে একজন মানুষের মৃত্যুও ঘটতে পারে।
এছাড়া রয়েছে ভুলভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরা। ভ্রমনকালীন সময়ে তিনটি উপায়ে যাত্রীদের বলা হয়, কিভাবে অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করতে হয়। শুরুতে ফ্লাইটেএ্যাটেনডেন্ট হাত নেড়ে বুঝিয়ে দেন।
এরপর যাত্রীদের সিট পকেটে রাখা সেফটি কার্ডেও লেখা থাক নির্দেশনা।
আর সর্বোপরি যখন মাথার উপর থেকে অক্সিজেন মাস্কটি যাত্রীদের একেবারে মুখের সামনে ঝুলে পড়ে, যে ব্যাগটির ভিতরে মাস্ক থাকে তার গায়েও লেখা থাকে নির্দেশনা। এগুলো খেয়াল করতে হবে।
এজন্য কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখার পরামর্শ দেন ল্যরি। প্রথমেই দেখতে হবে অক্সিজেন মাস্কটি যেন মুখ ও নাকের পুরোটা ঢেকে দিতে পারে।
এরপর মাস্কের সাথে লাগানো প্লাস্টিকের ব্যান্ডটি মাথার পিছনে টেনে দিতে হবে, যাতে সেটি মাস্কটিকে মুখের সাথে আটকে রাখতে পারে।
কোন কারণে মাস্কটি অকার্যকর মনে হলে, ঘাবড়ে না গিয়ে ফ্লাইট এ্যাটেনডেন্টকে জানাতে হবে।
প্রয়োজনে পাশের যাত্রীর সাথেও ভাগাভাগি করে নেবার মানসিকতা থাকতে হবে।
তবে, ল্যরি তার অভিজ্ঞতায় দেখেছেন, কোন সমস্যা দেখা দিলে যাত্রীদের মধ্যে এক ধরণের তাড়াহুড়া শুরু হয়ে যায়, দ্রুত কিভাবে মাস্কটি পরতে পারেন।
তাছাড়া আসন্ন কোন বিপদের আশংকায় অনেকেই নার্ভাস হয়ে পড়েন।
অনেকেই হয়তো একসাথে অভিযোগ জানান যে কেন বিষয়টি তাকে আগে জানানো হলো না।
কিন্তু সাধারণত ফ্লাইটেএ্যাটেনডেন্টরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে তর্ক করেন না।
হাসিমুখে বলেন, আমরা জানাতে চেষ্টা করেছিলাম, এখন দয়া করে আপনারা নিজের আসনে ফিরে যান।
শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD