শিরোনাম :
ডিসেম্বরে শুরু হচ্ছে বিসিবির ‘ডি থ্রি ট্রফি’: ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শীর্ষে শরিফুল বিকল্প শিরোনাম ২: মধ্যরাতেই ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’ : সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত ৯ মাসে ১০৯ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার: আইনি দুর্বলতায় থমকে যাচ্ছে মাদ্রাসার বিচারপ্রক্রিয়া চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার

বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে দুর্নীতির সুযোগ নেই, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, বীজ, সার ও গবাদিপশুর ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘটনা সহ্য করা হবে না। সরকারের অবস্থান এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’।

শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, বন্যার কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। যদিও সব ক্ষতি একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি সহায়তা বিতরণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া যাবে না এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরাই যেন সহায়তা পান, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাপ্রবণ এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে ক্ষুরা রোগ (এফএমডি) প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি যেসব পশুর পুনরায় টিকা নেওয়ার সময় হয়েছে, তাদেরও নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, একটি গবাদিপশু হারানো মানে একজন খামারির জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতি। তাই রোগ প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সরকারের দেওয়া সহায়তা যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয় এবং একজন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তও যেন বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোথাও অবহেলা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং কৃষক-খামারিদের সহায়তা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন।

সূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD