ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্রিসহাইম মিলনায়তনে হয়ে গেলো জার্মান আওয়ামীলীগের বিশাল মিলন মেলা। রাজনৈতিক এই মিলনমেলায় শুরুতে ছিল জাতীয় সংগীত।
মিলনমেলায় সভাপতিত্ব করেন জার্মান আওয়ামিলীগের সভাপতি বসিরুল আলম চৌধুরী সাবু। সাধারণ সম্পাদক আব্বাস আলি চৌধুরীর উপস্থাপনায় দলটির পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আয়োজকেরা কমিটির সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এক ঝাঁক তরুণকে জার্মানির বিভিন্ন প্রদেশের শহর থেকে কমিটির বিভিন্ন পদে পদান্নিত করা হয়।
পূর্নাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন আব্দুল মান্নান, নুরে হাসনাত শিপন, জিল্লুর রহমান , জাহাংগীর হোসাইন,জাকির হোসাইন, দেলোয়ার হোসাইন, এমরান হোসাইন। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আমান উল্লাহ ইসলাম, কাজি আসিফ দিপ, দেলোয়ার জাহীদ বিপ্লব, নিশাত জাহান ঝর্ণা। সাংগঠনিক সম্পাদক পেয়েছেন নজরুল ইসলাম, মো. কায়সারুল আলম, সুখেন সাহা, সম্রাট , আবুল কালাম বাদল প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন মোর্শেদ মোবাইদুল ইমন। এছাড়াও বিভিন্ন পদে অনেক নেতাকর্মীকে পদান্নতি করা হয়।

মিলনমালা অনুষ্ঠানে বক্তারা, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে তার প্রশংসা করা হয়।
জার্মান আওয়ামী লীগের মিলন মেলা অনুষ্ঠানে নৃত্য, সংগীত, কবিতা আবৃত্তি আর বিভিন্ন দেশীয় সংস্কৃতির উপস্থাপনায় হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন লিপিকা আহমেদ এবং মুনিরা মুন্নি মউ। ছোট বাচ্চাদের উপস্থিতিতে সমস্ত মিলনায়তন একটা আনন্দঘন পরিবেশে পরিনত হয়। জার্মান আওয়ামীলীগ কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, তাঁদের পরিবার ও আওয়ামী প্রবাসী বাঙালিরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মিলন মেলা উপভোগ করেন।