অনিয়ম রোধে সতর্কতার কারণে এশিয়ার বৃহত্তম এই ফার্ম থেকে প্রথমবারের মতো সফলতা এসেছে বলে জানান দত্তনগর বিএডিসি’র যুগ্ম পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) খামার দেলোয়ার হোসেন।
এশিয়ার বৃহত্তম ঝিনাইদহের দত্তনগরের কুশাডাঙ্গা বীজ উৎপাদন খামার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা দুর্নীতিতে জর্জরিত। অনিয়মের কারণে গত বছর খামারটির তিন উপ-পরিচালককে বরখাস্ত এবং দুইজনকে বদলি করা হয়।
প্রজননবিদদের মাধ্যমে গবেষণাগারে উৎপাদিত মৌলবীজ থেকে গুণগত মানসম্পন্ন ভিত্তি বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে দত্তনগরের কুশাডাঙ্গা বীজ উৎপাদন খামার প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তবে সীমাহীন অব্যবস্থাপনা, আর্থিক বরাদ্দের অভাব, অপ্রতুল প্রযুক্তিগত সহায়তা, শ্রমনীতিমালা না থাকা, বেতনস্কেল, চাকরিচ্যুতি আর অবসর প্রাপ্তির কোন নিয়মনীতি না থাকায় অনিয়ম দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয় ফার্মটি।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ৩ কোটি টাকা মুল্যের বীজ চুরির দায়ে ফার্মটির ৫ উপ-পরিচালকের মধ্যে ৩ জনকে বরখাস্ত করা হয়। বাকী দুজনকেও বদলি করা হয়। তাদের জায়গায় আনা হয় নতুনদের।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন নতুন কর্মকর্তা নিয়োগসহ ফার্মটিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয় বিএডিসি। ফলে এরিমধ্যে আসতে শুরু করেছে সফলতাও। আর এত বছরে প্রথমবারের মতো চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৫ কোটি টাকার বেশি ধানবীজ উৎপাদন হয়েছে।
তবে খামারে নেই কোন শ্রম নীতিমালা, বেতনস্কেল, চাকরিচ্যুতি আর অবসর প্রাপ্তির কোন নিয়মনীতি না থাকায় আছে আক্ষেপ।