শিরোনাম :
নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের বৈশ্বিক সাইবার ঝুঁকির সতর্কতায় টানা ৩ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

গহনা নয়, তাবিজ তৈরিতে ঝুঁকছে মুকসুদপুরের কারিগররা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গহনা নয়, তাবিজ তৈরিতে ঝুঁকছে কারিগররা

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : এক সময় ইমিটেশন শিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় এলাকা। হাজার হাজার নারী-পুরুষ ইমিটেশনের গয়না তৈরির কাজ করে স্বাবলম্বী হয়ে ছিল। কিন্তু উন্নত মেশিন আর মানসম্পন্ন মেডিসিনের অভাবে বিদেশি গয়নার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় এ শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে। নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ও চাহিদা না থাকায় এখন ইমিটেশনের গয়না ছেড়ে তাবিজ তৈরিতে ঝুঁকছে ওই সকল কারিগররা।

জানা গেছে, কারিগররা ঢাকার জিনজিরা থেকে তাবিজ তৈরির কাঁচামাল তামা, দস্তা, ব্রোঞ্জ কেজি প্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় কিনে আনে। পরে সাইজ মতো কেটে আগুনে পোড়ানো হয়। এরপর বিভিন্ন কৌশলে নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয় তাবিজ। সবশেষে মেডিসিন দিয়ে কালার করা হয়। এখানের তৈরিকৃত তাবিজ ঢাকা, খুলনা, বগুড়া, বরিশাল, বরগুনা, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কেজি প্রতি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এ শিল্পে লাভ কম হলেও চাহিদা বেশি। তাই এ কাজ করে এখন অনেকেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে।

তপন বাকচি নামে এক কারিগর জানায়, এক সময় জলিরপাড়সহ গোপালগঞ্জের অনেকেই ইমিটেশনের গয়না তৈরি করত। কিন্তু এ সব গয়নার চাহিদা বর্তমানে কমে যাওয়ায় কারিগরদের সংখ্যা কমে গেছে। তাই এখন অনেক কারিগররা তাবিজ তৈরি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে।

জলিরপাড়ের রুপচাঁদ বাকচি নামে আরেক কারিগর বলেন, আমরা ভোর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজ করে ৯ থেকে ১০ কেজি তাবিজ তৈরি করতে পারি। এতে দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ টাকা মজুরি পাই। বাকি সময় অন্যান্য কাজ করি। এতে যা রোজগার করি তাতেই আমাদের সংসার চলে যায়।

জলিরপাড় ব্রোঞ্জ মার্কেট সমিতির সভাপতি মন্টু রায় বলেন, তাবিজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই এ কাজে ঝুঁকছে কারিগররা। সরকার আমাদের এ ব্যাপারে সহযোগিতা করলে অবশ্যই এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD