শিরোনাম :
চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের

২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে পাচার ৫০ হাজার কোটি টাকা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯

জার্মানবাংলা রিপোর্ট: কোটি কোটি ডলার নির্বিঘ্নে দেশের বাইরে পাচার করে দেয়া হচ্ছে । এ ক্ষেত্রে সরকারের নানা উদ্যোগ-পদক্ষেপেও কাজে আসছে না। দৃশ্যপটে এমন তথ্যই প্রকাশ করল গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) এর বার্ষিক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, শুধু মাত্র ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৫৯০ কোটি ডলার । টাকার অঙ্কে যা প্রায় ৫০ হাজার হাজার কোটি। ২০০৬ থেকে এক দশকে পাচারের পরিমাণ ৫ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা।

সোমবার ২৭ জানুয়ারি ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) এর বার্ষিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। সংস্থাটি বলছে, পাচারকৃত টাকার বড় অংশই গেছে আমদানি-রফতানির সময়ে পণ্যের প্রকৃত দাম গোপন করার মাধ্যমে।

বিশ্বজুড়ে অর্থপাচার নিয়ে প্রায় এক দশক ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি-জিএফআই। সোমবার প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে ১৪৮ উন্নয়নশীল দেশের টাকা পাচারের চিত্র।

জিএফআই’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয় ৫৯০ কোটি ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। সংস্থাটি বলছে, উন্নত দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ২০ ভাগই পাচার হয়েছে নানা কৌশলে। আমদানি-রফতানি পণ্যের আসল দাম গোপন করে, অর্থ পাচারের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল আছে সরকারও।

জিএফআই’র হিসাবে, ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার বা ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাংলাদেশের মোট বাজেট ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ, চলতি বছরের মোট বাজেটের চেয়েও বেশি টাকা ১০ বছরে পাচার হয়েছে।

২০১৪ সালে দেশ থেকে পাচার হয় ৮৯৭ কোটি ডলার। অংকের হিসেবে ২০১৫ সালে এর পরিমাণ কমলেও জিএফআই বলছে, এটি আনুমানিক হিসাব। প্রকৃত পাচারের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

পাচারের পাশাপাশি, ২০১৫ সালে অবৈধভাবে দেশে ২৮০ কোটি ডলার আসার তথ্যও দিয়েছে জিএফআই।

সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুসারে, টাকার অংকের দিক দিয়ে ২০১৫ সালে অর্থপাচারে শীর্ষ ৩০ দেশের একটি ছিল বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। জিএফআই বলছে, টাকা পাচারের এ প্রবণতা টেকসই উন্নয়নের বড় বাধা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD