শিরোনাম :
নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের বৈশ্বিক সাইবার ঝুঁকির সতর্কতায় টানা ৩ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

হুমকির মুখে ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকল

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮

রামিম হাসান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: বাজারদর না থাকা ও ফলন ভালো না হওয়ায় ঝিনাইদহে কমেছে আখের আবাদ। এক বছরের ব্যবধানে জেলায় অর্ধেকেরও কম জমিতে আখের আবাদ হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মোবারকগঞ্জ সুগার মিলটি।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্যমতে, এ বছর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মিল জোন ও নন মিল জোনে আখের আবাদ হয়েছে মাত্র ৫৫৫ হেক্টর জমিতে, যা গত বছরের তুলনায় ৬৩০ হেক্টর কম (গত বছর ১১৮৫ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ করা হয়)। এছাড়া পাঁচ বছর ধরেই জেলাজুড়ে আখের আবাদ নিম্নগামী। একসময় জেলার ছয় উপজেলায় কৃষকরা যে পরিমাণ আখের আবাদ করতেন, বর্তমানে সেটা আর নেই।

কালীগঞ্জ উপজেলার বড়পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল হাই বলেন, গত বছর আমি আড়াই বিঘা জমিতে আখের আবাদ করেছিলাম। এ বছর আখের আবাদ বন্ধ করে অন্য ফসল আবাদ করছি।

তিনি বলেন, অতীতে আখ চাষই ছিল লাভজনক কৃষি ফসল। কিন্তু আখ চাষে বর্তমানে আগের মতো আর লাভ হচ্ছে না। সব ফসলের উচ্চফলনশীল জাত বের হলেও আজ পর্যন্ত আখের কোনো উচ্চফলনশীল জাত বের হয়নি। এছাড়া মিলগেট ছাড়া অন্যান্য সেন্টারে আখ ওজনে কম করা, দীর্ঘমেয়াদি চাষ, পুঁজি পেতে চরম হয়রানি, আখের মূল্যবৃদ্ধি না করা, ঋণের মাধ্যমে কৃষকদের দেয়া সার ওজনে কম হওয়া ও সর্বোপরি কৃষকদের সঙ্গে চিনিকলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণেই এলাকার চাষীরা আখ চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

বলিদাপাড়া গ্রামের আখচাষি বাবুল হোসেন জানান, গত বছর তিনি তিন বিঘা জমিতে আখের আবাদ করেছিলেন। এ বছর এক বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন। সারা বছর আখ আবাদ করার পর মিলে আখ দিলে ঠিকমতো টাকা পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়েই আবাদের পরিমাণ কমিয়ে ফেলেছি।

বাবরা গ্রামের কৃষক সেন্টু কুমার বলেন, এ এলাকার কৃষক আখের আবাদ বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ সঠিক সময়ে যদি ভালো দাম না পাওয়া যায়, তবে আখ চাষ করে লাভ কী।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিএম আব্দুর রউফ বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর আখের আবাদ কম হয়েছে। আখ চাষে সরকারের একটি প্রকল্প ছিল, তা বন্ধ হয়ে গেছে। এ আবাদ ফিরিয়ে আনতে হলে কৃষকদের প্রণোদনাসহ আখের দাম বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD