সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোকারম হোসেন জানান, সালমা তার মায়ের সাথে ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ করতো। সেখানে কর্মরত অবস্থায় সহকর্মী কুষ্টিয়ার বাসিন্দা সাইফুলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। প্রায় ১০/১২ দিন আগে তারা বিয়েও করে। বুধবার সকালে স্বামীর সাথে কুষ্টিয়া যায় সালমা। সেখানে গিয়ে জানতে পারে তার স্বামীর প্রথম স্ত্রী ও একটি সন্তান রয়েছে। এ অবস্থায় সাইফুলের বাবা-মা সালমাকে নাবালিকা বলে বাবার বাড়ি রেখে আসতে ছেলেকে বলেন।
রাতে সাইফুল সালমাকে নিয়ে বাবার বাড়ি সিরাজগঞ্জের বালিঘুগরীতে আসে। সব শুনে পরিবারের লোকজন রাতেই তাদের বিয়ের বিচ্ছেদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। এ অবস্থায় সালমা অন্য একটি ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে গভীর রাতে নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।