শিরোনাম :
চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের

শুরু হচ্ছে কেসিসির ১৪শ কোটি টাকার দু’টি মেগা প্রকল্পের কাজ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৯

রাইসুল আলম রবিন, খুলনা প্রতিনিধিঃ সড়ক মেরামত ও উন্নয়নে এবং খুলনা শহরে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে মোট ১৪শ কোটি টাকার দু’টি মেগা প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু করতে যাচ্ছে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) । প্রথম দফায় ওই দু’টি প্রকল্পের ৬৫ কোটি টাকার আরএডিপিতে বরাদ্দ আছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রায় ৬০৮ কোটি টাকার প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৯ অক্টোবর’১৮ চূড়ান্ত অনুমোদন হয়। তার কয়েক দিন আগে একনেকে পাস হয় অপর একটি মেগা প্রকল্প। প্রকল্পটি হচ্ছে জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন। এ খাতে পাস হয়েছে ৮২৩ কোটি টাকা। ৪ বছর মেয়াদী এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী। এ দু’টি প্রকল্প পাসের মধ্য দিয়ে কেসিসি প্রায় একই সাথে ১৪শ ৩ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ শুরু করবে। এ মেগা প্রকল্প দু’টি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন খুলনা নগরী গড়ে উঠবে বলে নাগরিক নেতারা মনে করেন। তাদের মতে, এ প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে নগরবাসী মুক্তি পেতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কেসিসির গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের উদ্যোগী মন্ত্রণালয় হলো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হচ্ছে কেসিসি। প্রকল্পের মেয়াদ হচ্ছে ডিসেম্বর-২০১৮ থেকে জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত। প্রকল্প এলাকা নির্বাচনের যৌক্তিকতা হিসেবে কেসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শহরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পরিবেশগত উন্নতি শহুরে উন্নয়নের জন্য কৌশলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ কৌশলের আওতায় পরিকল্পিত নগরায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা প্রদান করা সিটি কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশের সাথে সম্পৃক্ত। প্রকল্পের উদ্দেশ হচ্ছে, কেসিসি এলাকার সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য রাস্তা নির্মাণ, সড়ক উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা হ্রাস এবং প্রকল্প এলাকায় জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নকরণ। চার বছর মেয়াদী এ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া ৮২৩ কোটি টাকার প্রকল্পের মূল অংশে রয়েছে ৯টি প্রধান সড়কের ৬২ কিলোমিটার এলাকায় প্রাইমারি ড্রেন, নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভেতরে প্রায় ১২৮ কিলোমিটার সেকেন্ডারি ড্রেন (৩ ফুটের কম), প্রধান ড্রেনগুলোর মধ্যে মুজগুন্নী মহাসড়কের উভয় পাশে ফুটপাতসহ দু’ পাশে ৮ কিলোমিটার ড্রেন, যশোর রোডের ডাকবাংলো মোড় থেকে নতুন রাস্তা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন, খানজাহান আলী রোডের পিটিআই মোড় থেকে রূপসা ঘাট পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার নতুন ড্রেন, একই সড়কের ফেরিঘাট বাস টার্মিনাল থেকে রয়্যালের পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কিছু পরিকল্পনা সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

এছাড়া সড়ক মেরামত ও উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যপারে কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী-২ লিয়াকত আলী খান জানান, সড়ক মেরামত ও উন্নয়নে ৬০৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকার প্রকল্পের মধ্যে জিওবি ৪৮৬ কোটি টাকা এবং নিজস্ব অর্থ ১২১ কোটি টাকা। যদিও উভয় প্রকল্প অনুমোদনের সময় ম্যাসিং ফান্ড প্রধানমন্ত্রী মাফ করে দিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়ার জন্য বলে দেন। সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ৪ কোটি টাকা।

আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে এসব কাজের দরপত্র ধারাবাহিকভাবে আহবান করা হবে। এলটিএম পদ্ধতিতে এ দরপত্র আহবান করা হচ্ছে। গত ২৮ মার্চ টেন্ডারের নোটিশ ছাড়া হয়েছে। ওই নোটিশে ১০টি কাজের দরপত্র আহবান করা হবে। এ কাজের বিপরীতে ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কেসিসির জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী-৩ মশিউজ্জামান খান বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে কেসিসির ৮২৩ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু করার আগে কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া রয়েছে। এ কাজ শুরু জন্য চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫ কোটি টাকা।

সিটি মেয়র তালুকদার আঃ খালেক বলেন, ৮২৩ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া রয়েছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী কাজের টেন্ডার আহবান করা হবে। টেন্ডারের পর কিছু কাজ করা হবে। তবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রিপেয়ারিং-এর কোনো কাজ হবে না বলে তিনি জানাল।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD