শিরোনাম :
নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের বৈশ্বিক সাইবার ঝুঁকির সতর্কতায় টানা ৩ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

‘ রাজশাহীতে ড্রেন থেকে টাকা ধরছিলেন তারা ’

জার্মান-বাংলা অনলাইন
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
ড্রেন থেকে তোলা টাকা গুনছিলেন এক ব্যক্তি।ছবি-সংগ্রহ

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, তিনি জেনেছেন ওই ড্রেন দিয়ে কোনো অফিসের পুরোনো কাগজপত্র ভেসে যাচ্ছে। তার সঙ্গে কিছু টাকাও নাকি পাওয়া যাচ্ছে।

আজ শনিবার বেলা একটার ঠিক একটু আগে। রাজশাহী নগরের শিরোইল এলাকায় রেলওয়ে অফিসার্স মেস ভবনের সামনে হঠাৎ অনেক মানুষের ভিড়। সব মানুষের চোখ ড্রেনের কালো পানির দিকে। ড্রেনে নেমে পাঁচ থেকে সাতজন কিছু একটা ধরার চেষ্টা করছেন। প্রাথমিকভাবে অন্যরা ধরেই নিলেন, ড্রেনে নামা ব্যক্তিরা মাছ ধরছেন। তবে একটু পরই জানা গেল, তাঁরা মাছ নয়, ভেসে যাওয়া টাকা ধরছেন।

রাজশাহী নগরের শিরোইল এলাকায় রেলওয়ে অফিসার্স মেস ভবনের সামনে ড্রেনে নেমে টাকা ধরছিলেন লোকজন। ছবি-সংগ্রহ

 

ড্রেনটির পানিপ্রবাহ শিরোইল থেকে ভদ্রার দিকে। দ্রুতগতিতে পানি চলে যাচ্ছে। সেই পানি থেকে কেউ এক হাজার টাকার নোট, কেউ ৫০০ টাকা, এমনকি পাঁচ টাকাও তুলছিলেন। পানিতে কাগজের কিছু ফাইল ভেসে যাচ্ছিল। সেসব কাগজের ভেতর থেকেও টাকা বেরিয়ে আসছিল। কাগজগুলো রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপ কার্যালয়ের।

১৫ বছরের রংমিস্ত্রি দিপু ড্রেন থেকে এক হাজার টাকার একটি নোটসহ বেশ কিছু টাকা কুড়িয়েছে। কথা বলতে গেলে সে ব্যস্ত ভঙ্গিতে শুধু এক হাজার টাকার নোটটি দেখিয়ে আবার টাকা ধরার কাজে মনোযোগ দেয়।

আলমগীর হোসেন (৪৫) নামের এক রিকশাচালক রিকশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এই রাস্তা দিয়ে। পরে তিনি জানতে পারেন ড্রেন দিয়ে এক হাজার টাকার নোট ভেসে যাচ্ছে। তবে তিনি জানান, তিনি এখনো এক হাজার টাকার নোট দেখতে পাননি। ১০০, ৫০০ টাকার নোট পেয়েছেন। তিনি কথাগুলো বলছিলেন ভেজা কিছু কাগজপত্র খুলে দেখতে দেখতে।

এদিকে পরিবহন গ্রুপের কাগজপত্রের সঙ্গে ড্রেনে টাকা ভেসে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহন গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক বলেন, তাঁদের অফিসের অনেক বছরের পুরোনো কাগজপত্র ছিল। সেগুলো তাঁদের কোনো কাজেই আসবে না। পোড়ানোর ব্যবস্থা করা যায়নি বলে সেগুলো ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সেসব কাগজপত্রের ভেতর হয়তো কিছু টাকা থেকে গেছে। এটা আর কিছু নয়।

তবে পাঁচ-সাতজন ড্রেন থেকে টাকা তুললেও তাঁরা কত টাকা পেয়েছেন, তা খোলাসা করেননি। তাঁদের ভয়, পুলিশ জানলে টাকাগুলো নিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD