আন্তর্জাতিক ডেস্ক :বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০২ সালে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমশন সেন্টার(জেডিপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের সোনালী আশ নামে খ্যাত পাটের বহুমুখী করণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে এর ব্যাপক ব্যাবহার, প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্য অর্জনই এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
উচ্চ মূল্য সংযোজিত করে উন্নতমানের বহুমুখী পাট পন্য উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত সমগ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্হান তথা দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কে গতিশীল ও স্হায়ীকরণে জেডিপিসির গুরুত্ব অপরিসীম।
একুশ শতকের চ্যালেন্জ মোকাবেলায় সম্ভাবনাময় একটি উজ্জ্বল প্রতিষ্ঠানের নাম জেডিপিসি।
২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কে একটি উন্নত দেশে রুপান্তরিত করার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এসডিজি’র অন্যতম দুটি লক্ষ্য অর্জনে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী নিয়ে এগিয়ে চলেছে জেডিপিসি।
জেডিপিসিতে প্রায় ৪৭ জন কর্মরত আছেন, এখানে মোট দেশের সব বিভাগের নিবন্ধিত উদ্যোক্তার সংখ্যা ৬৬৯জন। জেডিসিপিতে প্রায় ২৫০টির মত বহুমুখী পাট পন্য রয়েছে। প্রায় ১১৮ টি দেশে এসব বহুমুখী পাট পন্য রপ্তানি করা হয়।
জেডিপিসি’র প্রধান কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, উদ্যোক্তা উন্নয়ন সেবা,প্রশিক্ষণ, স্হানীয় ও আন্তর্জাতিক মেলা প্রদর্শনী আয়োজন, ঋণ প্রাপ্তির উৎস নির্ধারণ,প্রযুক্তি ও কারিগরি সেবা কর্মসূচি, প্রচার / প্রকাশনা ও পাটপণ্যের ডিজাইন উন্নয়ন ও পাট পণ্যের মানোন্নয়ন। এছাড়াও জেডিসিপি’র কিছু ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।
এই বানিজ্য মেলায় মোট ২৪ টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন :www.jdpc.gov.bd