শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বার্নহাম, নেতৃত্বে একচ্ছত্র সমর্থন চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগ আপিল বিভাগের রায়ের পর নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন আইনমন্ত্রী বিনিয়োগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আমদানি নীতিতে তিন খসড়ার অনুমোদন উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মরক্কোকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে ফ্রান্স জুলাই জাদুঘর উদ্বোধনে আর দেরি নয়, প্রস্তুতি শেষ: নিতাই রায় চৌধুরী পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতি, জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান প্রধানমন্ত্রীর মহাকাশ থেকে মাতৃত্ব – পাঁচ বিজ্ঞানীর অসাধারণ অবদান দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের দাবির আইনি ভিত্তি নেই

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগ

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, দুর্গত মানুষের জীবন রক্ষা, দ্রুত উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সব সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মাহ্দী আমিন জানান, কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসক, ইউএনও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা, যেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া জিআর কর্মসূচির আওতায় পাঁচ জেলায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ ও বিতরণ করা হয়েছে।
দুর্গত এলাকায় নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, চিকিৎসাসেবা, শিশুখাদ্য ও নিয়মিত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করছেন এবং ত্রাণ বিতরণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম–দোহাজারী ৪৭ কিলোমিটার রেলপথ ৫ ফুট উঁচু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানো যায়। এছাড়া পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।
মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছেন এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।
সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের ফেসবুক পোস্ট।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD