শিরোনাম :
চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের

খুলনায় রাজস্ব ফাঁকি রোধে তথ্য সংগ্রহ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৯

রাইসুল আলম রবিন , খুলনা প্রতিনিধিঃ খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) আওতাধীন ৩১টি ওয়ার্ড জুড়ে চলছে বাড়ির মালিকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ। রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়কর বিভাগ এ কাজটি করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের এ কাজ সম্পন্ন হবে।

খুলনা কর বিভাগের জরিপ সার্কেল-১ এর অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার রেবেকা খানম বলেন, ‘খুলনা মহানগরীর বাড়ির মালিকদের আয়কর দেওয়ার সক্ষমতাও রয়েছে। কিন্তু তারা আয়কর না দিয়ে ফাঁকি দিচ্ছে। তাদের শনাক্ত করে আয়করের আওতায় আনতেই এ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তথ্য সংগ্রহ শেষে ঢাকার নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
সূত্র মতে, মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে নম্বর অনুযায়ী বাড়ি বা ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মালিকদের তথ্য পাওয়ার জন্য গত ২৫ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কর জরিপ অঞ্চল ঢাকার কর কমিশনার আসাদুজ্জামান চিঠি দেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কেসিসি এলাকায় হোল্ডিং নম্বরধারী অনেক বাড়ি-ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক রয়েছেন- যাদের আয়কর নথি নেই। অভিযোগ রয়েছে, এসব মালিক বিনিয়োগ এবং ভাড়া গোপন করে কর ফাঁকি দিচ্ছেন। কর ফাঁকি রোধ এবং নতুন করদাতা সৃষ্টির জন্য বাড়ি বা ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের তালিকা নিয়ে তথ্য সংগ্রহের কথা বলা হয়। ওই চিঠি অনুযায়ী মেয়রের নির্দেশনায় কেসিসি খুলনার কর বিভাগকে হাল নাগাদ তথ্য প্রদান করছে। এরই মধ্যে তারা ছয়টি ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহ করেছে। বাকি ওয়ার্ডগুলোর তথ্য আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সংগ্রহ করা সম্ভব হবে বলে কর বিভাগের জরিপ সার্কেল-১ আশা প্রকাশ করেছে।

রেবেকা খানম বলেন, তিনিসহ জরিপ সার্কেল-১ এর কর ইন্সপেক্টর একেএম জয়নুল আবেদীন এ তথ্য সংগ্রহ করছেন। নেতৃত্বে রয়েছেন খুলনার জরিপ অঞ্চল-৪ যুগ্ম কর পরিদর্শী মুনজুর আলম। তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র। এ তথ্য সংগ্রহের পর মহানগরীর বাড়ির মালিকরা কেউ আয়করের আওতার বাইরে থাকতে পারবে না। আয়কর ফাঁকি রোধে এ কার্যক্রম চলছে।

দুর্নীতি রোধে কেসিসি ও আয়কর বিভাগ উভয় সংস্থা ৩১ ওয়ার্ডকে তালিকাভুক্ত করেছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ির মালিকের তালিকা ও তাদের বাড়ির তথ্য আয়কর বিভাগ সংগ্রহ করছে। একই সঙ্গে এসব বাড়ির মালিকের বছরে কত টাকা আয়কর দিচ্ছে- তারও একটি তালিকা কর বিভাগ কেসিসির কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে।

কেসিসি বলছে, তারা আয়কর বিভাগকে ভবন ও মালিকদের তালিকা দিয়ে সহায়তা করছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD