শিরোনাম :
মে দিবসে দেশ গঠনে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকার আহ্বান শ্রমজীবীদের প্রতি আফ্রিকার উন্নয়ন ও যৌথ আধুনিকায়নে চীনের দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতি নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্বে নিরপেক্ষতা ও উন্মুক্ততার বার্তা দিল চীন যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান ও দুই পুরস্কার পেলেন নির্মাতা শামস বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা: ‘BD Intervention 2026’ সম্মেলন উদ্বোধন পথচারী ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন রেখেই হকার পুনর্বাসন করা হচ্ছে: ডিএসসিসি প্রশাসক জাতির ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চাবিকাঠি আকাশপথে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বুদ্ধ পূর্ণিমায় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা : এলজিআরডি মন্ত্রী সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও অন্যান্য মালামাল জব্দ গত ১৭ বছর বাংলাদেশের শ্রমিকেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল: চট্টগ্রামে মহান মে দিবসের আলোচনায় ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

আফ্রিকার উন্নয়ন ও যৌথ আধুনিকায়নে চীনের দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
১ মে থেকে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আফ্রিকার ৫৩টি দেশের জন্য পূর্ণাঙ্গ শূন্য-শুল্ক নীতি কার্যকর হবে। শুল্কমুক্তির এই পদক্ষেপ চীন-আফ্রিকা বাণিজ্যে আরও প্রবৃদ্ধি তৈরি করবে এবং আফ্রিকার অর্থনীতিতে আরও স্থিতিশীলতা ও নিশ্চয়তা আনবে। সিজিটিএন-এর উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী নেটিজেনদের ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৭.৩ শতাংশ উত্তরদাতা চীনের পারস্পরিক উপকারী বাণিজ্য নীতি সম্পর্কে ইতিবাচক মত পোষণ করেছেন। তাঁদের মতে, বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় চ্যালেঞ্জের এই সময়ে চীনের পদক্ষেপটি আফ্রিকার উন্নয়নমূলক বাধা ও বৈষম্যমূলক আচরণ লাঘবে সহায়ক হবে এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
২০২৫ সালে চীন-আফ্রিকা বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭.৭ শতাংশ বেশি। এটি একটি নতুন রেকর্ড এবং টানা ১৬ বছর ধরে চীন আফ্রিকার শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছে। এই প্রেক্ষাপটে, ৮৭.৪ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, শূন্য-শুল্ক নীতি আফ্রিকার পণ্যসামগ্রীকে চীনের বিশাল বাজারের সঙ্গে আরও দ্রুত সংযুক্ত করবে এবং তাদের উন্নয়নের জন্য প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
প্রকৃতপক্ষে, এই শূন্য-শুল্ক নীতি শুধু চীন-আফ্রিকা বাণিজ্যের পরিমাণই বাড়ায়নি; বরং বাণিজ্যিক পণ্যের ধরন ও শিল্পকাঠামোতেও উন্নয়ন এনেছে। জরিপে ৮৭.৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই নীতি আফ্রিকার তুলনামূলক সুবিধাসম্পন্ন পণ্যগুলোকে চীনা বাজারে প্রবেশে সহায়তা করবে এবং তাদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াবে। ৮৪.৫ শতাংশ উত্তরদাতার মতে, এটি আফ্রিকার পণ্যের সংযোজিত মূল্য বৃদ্ধি করে সংশ্লিষ্ট শিল্পের আধুনিকায়ন ও কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাবে। ৮৩.৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই পদক্ষেপ আফ্রিকার কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, কোল্ড চেইন ও পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ খুব একটা অনুকূল ছিল না। একক শুল্কারোপ ও বাণিজ্য সুরক্ষাবাদ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর বিপরীতে, ২০২৪ সালে সবচেয়ে কম উন্নত ৩৩টি দেশকে আওতাভুক্ত করা থেকে শুরু করে বর্তমানে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা ৫৩টি আফ্রিকান দেশকে সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়া পর্যন্ত—চীন তার বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে চীন-আফ্রিকা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতায় স্থিতিশীলতা ও নিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এই প্রসঙ্গে ৮৬.২ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আফ্রিকার প্রতি চীনের শূন্য-শুল্ক নীতি আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক উপকারী সহযোগিতা ও যৌথ আধুনিকায়নের প্রতি চীনের দৃঢ় অবস্থান এবং একটি বৃহৎ রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধের প্রতিফলন ঘটায়। ৭৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই পদক্ষেপ ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সংহতি ও সহযোগিতা জোরদার করবে। ৭৮.৩ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বের সবচেয়ে কম উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে সম্মিলিত উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল বৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে চীনের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।
এই জরিপটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি ও রুশ ভাষার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়েছিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোট ৭ হাজার ৬৬৫জন নেটিজেন এতে অংশ নিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন।
সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD