ছবি: ইন্টারনেট।
যুক্তরাজ্যে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে সহিংস হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির সন্ত্রাসবাদের হুমকির মাত্রা এক ধাপ বাড়িয়েছে সরকার। ‘উল্লেখযোগ্য’ থেকে হুমকির স্তর উন্নীত করে ‘গুরুতর’ ঘোষণা করা হয়েছে, যা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার উচ্চ ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে।
সম্প্রতি উত্তর লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় দুই ইহুদি ব্যক্তির ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলো নতুন করে সতর্ক অবস্থানে যায়। পুলিশ এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করছে।
ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, শুধু একটি হামলার কারণে নয়, বরং সাম্প্রতিক সময়ে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং বিদেশি শক্তির মদদপুষ্ট হুমকির কারণেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থার মতে, ইসলামপন্থী ও অতি-ডানপন্থী উভয় ধরনের উগ্রবাদী কার্যক্রমই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
এর আগে ম্যানচেস্টারের একটি সিনাগগের বাইরে হামলার ঘটনা এবং ইহুদি প্রতিষ্ঠানের যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মতো নাশকতা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। কয়েকটি উপাসনালয়েও হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। এজন্য নতুন করে ২৫ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
নিরাপত্তামন্ত্রী ড্যান জার্ভিস জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। তবে তিনি নাগরিকদের অযথা আতঙ্কিত না হওয়ারও পরামর্শ দেন।
সূত্র: বিবিসি।