শিরোনাম :
নিরাপত্তাজনিত কারণে জিয়াউল আহসানের বিচার হবে ভার্চুয়ালি অভিবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল: আইনমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সরকারের জবাবদিহিতায় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান স্বেচ্ছাসেবকদের সুরক্ষায় আইনের তাগিদ : আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে রাষ্ট্রপতি মি অটোমেশন দ্রুত ও নির্ভুল করার তাগিদ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর; পাশে থাকার আশ্বাস ইউএনডিপির অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড আন্তর্জাতিক সংলাপে নগর-উন্নয়নের ভবিষ্যৎ রূপরেখা: হ্যনানে সফল সমাপ্তি বিশ্ব মেয়র সম্মেলন রোহিঙ্গা উপস্থিতি অর্থনীতি ও পরিবেশে বড় চাপ: কানাডার প্রতিমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে নজরুলের দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান: মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’: ইইউ কমিশনারের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

তেলআবিবে জিম্মি মুক্তি উদযাপন

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

গাজায় হামাসের হাতে বন্দিদের মুক্তির সম্ভাবনা ঘিরে শনিবার তেলআবিবে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ঘোষণা দেন, “জিম্মিরা ঘরে ফিরছেন।” তিনি যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি প্রক্রিয়াকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তোলার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

এদিকে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী গাজার কিছু এলাকা থেকে সরে যাওয়ার পর গত দুই দিনে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ উত্তরাঞ্চলে ফিরে এসেছে।

মিসরও নিশ্চিত করেছে যে যুদ্ধ অবসানের চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে সোমবার শার্ম আল-শেখে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারসহ প্রায় ২০ জন বিশ্বনেতা অংশ নেবেন। ট্রাম্পের ইসরায়েল সফরের পরই তিনি মিসরে যাবেন বলে জানা গেছে।

তেলআবিবের সমাবেশে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও জ্যারেড কুশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে জনতা “থ্যাংক ইউ ট্রাম্প” স্লোগান দিতে থাকে।

সমঝোতা অনুযায়ী, হামাসকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ৪৮ জন জিম্মি মুক্তি দিতে সময় দেওয়া হয়েছে—যাদের মধ্যে প্রায় ২০ জন জীবিত আছেন বলে ধারণা। বাকিদের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হামাসের শীর্ষ নেতা ওসামা হামদান নিশ্চিত করেছেন, সোমবার সকালেই বন্দি বিনিময় কার্যক্রম শুরু হবে।

অন্যদিকে গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিরে আসা বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত বাড়িঘর দেখে হতাশা প্রকাশ করছেন। আইনজীবী মোসা আলদৌস বলেন, “এখানে আর কোনো ঘর নেই—সব শেষ।”

এদিকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে গাজায় আরও ত্রাণবাহী ট্রাক যাওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের লক্ষ্য শহরের ১৪৫টি কেন্দ্রে খাদ্য বিতরণ পুনরায় শুরু করা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বৃহস্পতিবার ৫০০ ট্রাক ত্রাণ গাজায় প্রবেশ করেছে। তবে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গাজার প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “যদি কোথাও খাদ্য সংকট থাকে, তার দায় হামাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর।”

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, বিবিসি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD