চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং রাষ্ট্রীয় পরিষদ ২০ জানুয়ারি সকালে বেইজিংয়ের গণমহাভবনে আসন্ন বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে একটি শুভেচ্ছা-বিনিময় সভার আয়োজন করে। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এতে উপস্থিত ছিলেন। সভায়
একুশ মানে মাথা নত না করা….একুশ আমাদের অহংকার…!! ২৫ শে ফেব্রুয়ারী,২৩ জার্মানিতে হতে যাচ্ছে একুশ মেলা! প্রবাসে বাঙালিদের নিয়ে একুশ উদযাপন, আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরার
১৭ জানুয়ারি সিএমজি আয়োজিত ‘২০২৩ বসন্ত উৎসব অপেরা পার্টির’ প্রেস ব্রিফিংয়ে অনুষ্ঠানের বেশ কিছু সৃজনশীল উজ্জ্বল বিষয়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পার্টিটি অপেরা শিল্প থেকে চীনা সভ্যতার আধ্যাত্মিক পরিচয় ও সাংস্কৃতিক
ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসবের প্রাক্কালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ভিডিও-লিঙ্কের মাধ্যমে, দেশের বিভিন্ন জাতির মানুষকে বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি আশা করেন, আসন্ন খরগোশ বর্ষে চীন আরও সমৃদ্ধ হবে,
বেইজিংয়ের গণমহাভবন থেকে ভিডিও-লিঙ্কের মাধ্যমে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী ও জনগণকে আসন্ন বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা জানান চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও দেশের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। তিনি
আপনি হয়তো জানেন চীনের বসন্ত উৎসব আসছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসব উদযাপনের জন্য অনেক দিন আগে থেকে চীনারা বিভিন্ন প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর আজ হল বসন্ত উৎসবের আগে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন ছোট
একুশ মানে মাথা নত না করা;একুশ আমাদের অহংকার..!! জার্মানিতে আয়োজন করতে যাচ্ছি একুশ মেলা! প্রবাসে নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রবাসে বাঙালিদের নিয়ে একুশ উদযাপনের আয়োজন
চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) ২০২৩ সালের বসন্ত উৎসব গালার তৃতীয় অনুশীলন শেষ হয়েছে। অতীতের মতে এবারও অনেক চমক নিয়ে হাজির হবে বসন্ত উৎসব গালা। গত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ সালের বসন্ত
নির্ঝর চৌধুরী সংগীত শিল্পী, সংগীত পরিচালক, লেখক, শিক্ষক ও উপস্থাপক। ছায়ানটে ৮ বছর রবীন্দ্রসংগীত ও শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নেয়ার পর সেখানেই শিক্ষকতা করেন প্রায় ১৪ বছর। জাতীয় পর্যায়ে শাস্ত্রীয় সংগীতে
নির্যাতন, নীড়ন করবো শেষ, শিশুর হাসিতে ভরবো দেশ,খেলাঘরের স্বপ্ন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, খেলাঘর চায়না শিশুদের কান্না এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে জামালপুরের ঐতিহ্য বাহী প্রাচীন তম সাংস্কৃতিক সংগঠন মনি মেলা খেলাঘর
জার্মানিতে বসবাসরত টাঙ্গাইলের মানুষদের একত্রিত করা ও বাঙালি সংস্কৃতি জার্মানি তথা পশ্চিমা বিশ্ব তুলে ধরতে মূলত এই সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি খালেদুজ্জামান টিটু,সাধারণ সম্পাদক জামান কবির, সাংগঠনিক
২৫ ডিসেম্বর চায়না মিডিয়া গ্রুপ এবং হাইনান প্রাদেশিক গণ-সরকারের যৌথ উদ্যোগে ‘চতুর্থ হাইনান দ্বীপ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ প্রদেশটির সানইয়া শহরে শেষ হয়েছে। এই বছরের চলচ্চিত্র উৎসবের‘গোল্ডেন কোকোনাট অ্যাওয়ার্ডে’ বিশ্বের ১১৬টি
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে একটি অস্থায়ী পুজা মন্ডবে প্রবাসী ছাত্র ছাত্রী ও জার্মান বাংলা কালচার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই প্রথম বারের মতো বিষ্ণু পুজা অনুষ্ঠিত হয়।দুষ্টের দমন এবং সৃষ্টের পালনের জন্য ভগবান শ্রী
বাংলার ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতি বিশ্ব ও সমগ্র ইউরোপে প্রসারিত করার লক্ষ্যে ইউরোপে বাঙালি কমিউনিটির উদ্যোগে দেশীয় ব্যান্ডদলের অংশগ্রহণে জমকালো সংগীত পরিবেশনার আয়োজন করা হয় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে। গত ২৩ শে ডিসেম্বর
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের পৃষ্ঠপোষকতায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সমাজের শিক্ষানুরাগী, বিত্তবান ও বেসরকারি সংগঠনের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, সাংস্কৃতিক আন্দোলনই স্বাধীনতা আন্দোলনের বীজ বপন করে এবং এর মাধ্যমে স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করে। ষাটের দশকে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্টি হওয়া ছায়ানট,
সম্প্রতি টিভি ফিচার ফিল্ম ‘লিংহাং’ চায়না মিডিয়া গ্রুপের কেন্দ্রীয় টিভি’র সার্বিক চ্যানেলে সম্প্রচার করা হয়েছে। ‘লিংহাং’ এবং সদ্য নির্মিত তথ্যচিত্র ‘চেংছেং’ কমরেড সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির
শীঘ্রই বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।সকালে রাজধানী ঢাকায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও কসোভোর উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী Kreshnik Ahmeti এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক
প্রতিবছর ৩০ সেপ্টেম্বর পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক অনুবাদ দিবস’। ২০১৭ সালের ২৪ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তঃসংযোগ এবং শান্তি, বোঝাপড়া এবং উন্নয়ন প্রচারে পেশাদার অনুবাদের ভূমিকার নিয়ে একটি
হাজার বছরের প্রাচীন বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি বৈচিত্র্যময় এবং সমৃদ্ধ। আমাদের ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও লোক-সংস্কৃতি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। শিল্পী-সাহিত্যিক-গুণীজন আমাদের পথ চলার পাথেয়। তাঁদের অবদানে দেশের সংস্কৃতি আজ সমৃদ্ধ।