শিরোনাম :
পরিবর্তনের জন্য বারবার রক্ত দিতে হয়েছে জাতিকে সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ এগ্রিভোল্টাইক হবে কৃষকবান্ধব, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী বাগেরহাটে ডিবির অভিযানে উদ্ধার ১১ চোরাই গরু ও পিকআপ, গ্রেপ্তার ৩ হজ প্যাকেজ আরও সাশ্রয়ী করতে নতুন উদ্যোগ, প্রতারণায় কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মেধা ও আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের পথ তৈরি করে: ববি হাজ্জাজ হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার

বেইজিংয়ে আয়োজিত বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা-বিনিময় সভায় সি চিন পিং

শুয়েই ফেই ফেই, বেইজিং:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৩

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং রাষ্ট্রীয় পরিষদ ২০ জানুয়ারি সকালে বেইজিংয়ের গণমহাভবনে আসন্ন বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে একটি শুভেচ্ছা-বিনিময় সভার আয়োজন করে। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এতে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সিপিসি ও রাষ্ট্রীয় পরিষদের পক্ষ থেকে, দেশের সব জাতির জনগণ এবং হংকং, ম্যাকাও, ও তাইওয়ানের স্বদেশী এবং প্রবাসী চীনাদের বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা জানান।

সভায় সি চিন পিং বলেন, গেল বছর ছিল সিপিসি ও চীনের উন্নয়নের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। জটিল আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও অভ্যন্তরীণ সংস্কার কর্তব্যের মুখোমুখি হয়ে, চীনা জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজতন্ত্রের আধুনিকায়নের পথে যাত্রায় নতুন সূচনা করেছে।

সি চিন পিং বলেন, গেল বছর চীন সফলভাবে সিপিসির বিংশ জাতীয় কংগ্রেস আয়োজন করেছে, সার্বিকভাবে সমাজতান্ত্রিক আধুনিক দেশ গড়ে তোলার নীলনকশা প্রণয়ন করেছে। গেল বছর অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, খাদ্যের ফলন, কর্মসংস্থান ও পণ্যমূল্য, জনগণের জীবিকা, ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই চীন কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, চীনে প্রাকৃতিক পরিবেশ টেকসইভাবে উন্নত হচ্ছে, প্রতিরক্ষা ও সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এগিয়ে যাচ্ছে। চীন জনগণকেন্দ্রিক ধারণার ভিত্তিতে মহামারী প্রতিরোধকব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনেছে এবং এই প্রক্রিয়ায় জনগণের জীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষা করেছে।

সি চিন পিং বলেন, ২০২৩ সাল হল সার্বিকভাবে সিপিসি’র বিংশ জাতীয় কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সূচনা বর্ষ। নতুন বছরে আশা ও চ্যালেঞ্জ দু’টিই আছে। সবার উচিত আরও ভালোভাবে মহামারী প্রতিরোধব্যবস্থা এবং অর্থনীতি ও সমাজ-উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় করা; সার্বিকভাবে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া।

সি চিন পিং আরও বলেন, চীনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে খরগোশকে শুভ ও কল্যাণের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। এই খরগোশ বর্ষে সকল চীনা, বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা বিভিন্ন খাতে নিজেদের মেধা কাজে লাগিয়ে, নতুন নতুন সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সূত্র: শুয়েই ফেই ফেই, চায়না মিডিয়া গ্রুপ

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD