শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

পাকিস্তানের করাচিতে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের একের পর এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় উদ্বেগ বাড়ছে। সর্বশেষ শহরের ‘সোশ্যাল সিকিউরিটি লান্ধি হাসপাতালে’ অন্তত ১৫ শিশুর শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। এর কয়েক মাস আগে একই শহরের ‘কুলসুম বাই ভালিকা হাসপাতালে’ প্রায় ১০০ শিশু এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, লান্ধি হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুদের বয়স ৪ মাস থেকে ৮ বছরের মধ্যে। হাসপাতালের নথি অনুসারে, জানুয়ারিতে চারজন, ফেব্রুয়ারিতে দুজন, মার্চে একজন, এপ্রিলে পাঁচজন এবং মে মাসে তিনজন শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সংক্রমণের ঘটনাগুলো দীর্ঘ সময় জনসমক্ষে আনা হয়নি। ফলে এ সময়ে আরও অনেক শিশু আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষয়টি গোপন রাখার কারণে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।

এর আগে কুলসুম বাই ভালিকা হাসপাতালে প্রায় ১০০ শিশুর এইচআইভি শনাক্ত হয়েছিল। আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই শহরের দুটি হাসপাতালে অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন ঘটনা ঘটায় সংক্রমণের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সামাজিক কলঙ্ক ও লোকলজ্জার কারণে আক্রান্ত শিশুদের অনেক অভিভাবক বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে অনিচ্ছুক। এতে আক্রান্তদের শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে।

এদিকে, চিকিৎসা ব্যয়ের ভার বহন করতে না পেরে আক্রান্ত এক শিশুর বাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনার সামর্থ্য তার নেই এবং সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে শিশুদের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে এইচআইভি সংক্রমণের ঘটনা সামনে এলেও পাকিস্তানের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। সংক্রমণের উৎস, সম্ভাব্য কারণ কিংবা তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD