জার্মানবাংলা রিপোর্ট: বর্তমান প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই আগামী একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোটটির শীর্ষ নেতারা বৈঠক করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে।
২০ দলীয় জোটের একজন শীর্ষ নেতা জার্মানবাংলাকে জানিয়েছেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবেই নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে জোটটি তার সাত দফা দাবি থেকে সরে আসেনি। শেষ সময় পর্যন্ত সাত দফা দাবি নিয়ে মাঠে থাকার কথা জানান তিনি।
জোটের আরেক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা মনে করেছি, নির্বাচনে যাওয়াই সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে নির্বাচনে না গিয়ে বিকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা কৌশলের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাচ্ছি।’
শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিএনপির মহাসচিব ও জোটটির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজ সন্ধ্যা থেকে বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক হয়েছে। দীর্ঘ সময় আলোচনা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগামীকাল দুপুর ১টায় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন ঐক্যফ্রন্টের অবস্থান জানাবেন।’
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিত্রদলগুলোর প্রধানদের মতামত জানতে চান। বৈঠকে উপস্থিত গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্যের শীর্ষ নেতারা তাদের মতামত দেন। পক্ষে বিপক্ষে মতামত ও যুক্তি আসে। তবে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে মতামত ও যুক্তি গ্রহণযোগ্য হওয়ায় নেতারা নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।
বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্রের দাবি, নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে কারান্তরীণ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও লন্ডনে অবস্থান করা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবুজ সংকেত দিয়েছেন।