ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, তরুণ শিল্পীদের তুলিতে ফুটে ওঠা শিল্পকর্ম জাতির অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের দীর্ঘ ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে। তিনি বলেন, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশ একটি জাতির সভ্যতা ও আত্মপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারিতে আয়োজিত ‘অধিকারের সংগ্রাম’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর সমাপনী দিনে পরিদর্শন শেষে তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের নানা অধ্যায় শিল্পের ভাষায় তুলে ধরার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ ধরনের আয়োজন ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হবে।
তিনি বলেন, শিল্প ও সংস্কৃতির চর্চা তরুণ সমাজকে ইতিবাচক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার গুরুত্ব উপলব্ধি করে এ খাতকে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মীর হেলাল বলেন, চারুকলা একটি জাতির সভ্যতার প্রতিচ্ছবি। বাংলাদেশের শিল্পচর্চা যত সমৃদ্ধ হবে, ততই জাতি নিজের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পরিচয়কে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পারবে।
বক্তব্যে তিনি দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে অতীতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়েও এ খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রদর্শনী ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী ‘অধিকারের সংগ্রাম’ প্রদর্শনীর প্রধান সমন্বয়ক ও আয়োজক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ এবং অংশগ্রহণকারী তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে দেশের শিল্পচর্চার ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া সব শিল্পীকে অভিনন্দন জানান।