শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, নিরাপত্তা ও অভিবাসন সহযোগিতায় গুরুত্ব জাতিসংঘ ফোরামে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সরকার গঠনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীতসহ সৃজনশীল বিষয়ের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষকতায় সুযোগের উদ্যোগ তীব্র তাপপ্রবাহে ইতালিতে মৃত ৫, তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ‘প্রকৃত দায়ী কে, তা হয়তো জানা যাবে না’ পরপর দুই শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, নিহত ১৬৪ গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীতসহ সৃজনশীল বিষয়ের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষকতায় সুযোগের উদ্যোগ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ শিশুদের সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ উদ্যোগকে ঘিরে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক না করে শিশুদের সার্বিক বিকাশে সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নতুন প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলামে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সংগীত, নৃত্য, নাটকসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। কোন শিক্ষার্থী কোন মাধ্যমে নিজের প্রতিভা বিকশিত করবে, সেটি তার ও তার পরিবারের সিদ্ধান্তের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সংগীত, সাহিত্য, আবৃত্তি, নাটক, চিত্রকলা কিংবা কেরাত—সব ধরনের সাংস্কৃতিক চর্চাই শিশুদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করে। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও ঘোষণা দেন, সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলাসহ বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা আরও বিস্তৃত করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ প্রয়োজন। তাই ভবিষ্যতে সংগীত, নাটক ও চারুকলার শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD