শিরোনাম :
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি চীনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, নিরাপত্তা ও অভিবাসন সহযোগিতায় গুরুত্ব জাতিসংঘ ফোরামে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সরকার গঠনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীতসহ সৃজনশীল বিষয়ের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষকতায় সুযোগের উদ্যোগ তীব্র তাপপ্রবাহে ইতালিতে মৃত ৫, তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ‘প্রকৃত দায়ী কে, তা হয়তো জানা যাবে না’

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি। তিনি বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আইএইএর পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ তথ্য প্রকাশ করে।

গ্রোসি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা। এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ও কার্যকর যাচাইকরণ ব্যবস্থার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ইরান বারবার দাবি করেছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এ ধরনের দাবি শুধু মৌখিক বক্তব্যের ভিত্তিতে গ্রহণ করা যায় না। বিষয়টি নিশ্চিত করতে আইএইএর স্বাধীনভাবে সব প্রয়োজনীয় স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ থাকতে হবে।

আইএইএ প্রধানের ভাষায়, সংস্থার কাজ কোনো দেশের উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক মূল্যায়ন করা নয়; বরং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করা। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব স্থাপনায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির লক্ষ্য অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন। তবে তেহরান ধারাবাহিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ইরানের দাবি, তাদের কর্মসূচি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গবেষণাসহ সম্পূর্ণ বেসামরিক প্রয়োজনে পরিচালিত হচ্ছে।

আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুনে ১২ দিনের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এরপর এসব স্থাপনা পরিদর্শন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মতবিরোধ তৈরি হয়।

হামলার পর ইরান সাময়িকভাবে আইএইএর সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করলেও পরে সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের পুনরায় প্রবেশের অনুমতি দেয়। এর পর সংস্থার কর্মকর্তারা কয়েকটি স্থাপনা পরিদর্শন করলেও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো এখনও তাদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এছাড়া ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সম্পর্কেও এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তির কাঠামোর মধ্যেই বিবেচনা করা হবে। তিনি জানান, জাতিসংঘের পরিদর্শন ও সহযোগিতার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল ও আল জাজিরা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD