গত ৪০ বছরের রেকর্ড ভেঙে ফেনীর মুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার অন্তত ৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভারতের ত্রিপুরায় অবস্থিত ড’ম্বু’র হাইড্রইলেক্ট্রিক পাওয়ার প্রজেক্ট বা ড’ম্বু:র গেট খুলে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে ভারত এই গেট খুলে দিয়েছিল।
যার ফলে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা অঞ্চল বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ।
ভারত থেকে আসা পানি ও টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পানি আরও বাড়তে পারে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান।
এদিকে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হবিগঞ্জ জেলায় বাড়ছে নদী-নদীর পানি। একই সাথে ডুবছে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো। ইতোমধ্যে জেলার ৫টি উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের ৮ হাজার ২৪০টি পরিবার বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। আর এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৬৮ মানুষ। বন্যায় আক্রান্ত উপজেলাগুলো হলো চুনারুঘাট উপজেলা, মাধবপুর উপজেলা, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা, হবিগঞ্জ সদর ও নবীগঞ্জ উপজেলা।
ফেনীর পাশাপাশি অন্যান্য অঞ্চলে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিবিরবাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার গাজীপুর গ্রামে বন্যার পানিতে স্থানীয় জনসাধারণের ঘরবাড়ী তলিয়ে যায়। বিবিরবাজার বিওপি হতে প্রয়োজনীয় সংখ্যাক বিজিবি সদস্য ঐ গ্রামে গমন পূর্বক পানিবন্দি জনসাধারণকে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পানিবন্দি জনসাধারণকে উদ্ধার সহায়তায় কাজ করছে বিজিবি।