জার্মানির ফ্রাংকফুর্টে বসবাসরত টাঙ্গাইলের প্রবাসীদের সংগঠন ‘প্রবাসী টাঙ্গাইল’-এর নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২৫ আগস্ট সংগঠনটির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন নেতৃত্বের লক্ষ্য, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে টাঙ্গাইলের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চা অব্যাহত রাখা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করা।
সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, জার্মানিতে বসবাসরত টাঙ্গাইলের প্রবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে নিজ শেকড়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখাই ‘প্রবাসী টাঙ্গাইল’-এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে সংগঠনটি প্রতিবছর টাঙ্গাইলের লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আবহকে তুলে ধরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।
নতুন কার্যকরী কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। পাশাপাশি সহ-সভাপতি ও সহ-সাধারণ সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে নতুন উপদেষ্টা মণ্ডলীও গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাফি ইমাম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দেলোয়ার জাহিদ (বিপ্লব)।
সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কামরুজ্জামান মিথুন খান, রক্ষণ সাহা, সামুন সিদ্দিকী, ইসলাম খান (সিদ্দিক), আসলাম খান (সিদ্দিক) ও সালাউদ্দিন খান।
সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সুবায়ের মোমেন ও জান্নাতুন নাইম।
এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোরশেদ মোকাদ্দেস (ইমন) এবং প্রচার সম্পাদক হয়েছেন রাজিব আলিমুল।
নতুন উপদেষ্টা মণ্ডলীতে রয়েছেন মো. খালেদুজ্জামান (টিটু), বায়োজিদ খান ও জামান কবির।
সংগঠনের নতুন কমিটির সদস্যরা জানান, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জার্মানিতে বসবাসরত টাঙ্গাইলের প্রবাসীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে তারা কাজ করবেন। একই সঙ্গে টাঙ্গাইলের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শেকড়ের সঙ্গে প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সংযোগ অটুট রাখতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।
তাদের মতে, প্রবাসে বসবাস করলেও মাতৃভূমির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করা নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন জোরদারের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রবাসী টাঙ্গাইল সমাজ গড়ে তোলাই নতুন কমিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।