শিরোনাম :
ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে দ্রুত বিধিমালা: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আছে, মুসলিম বিশ্বের জন্যও অবদান রাখতে চাই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না’: রাষ্ট্রপতি সাগর-রুনি হত্যায় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের যোগসূত্রের কুলু পেয়েছি: চিফ প্রসিকিউটর লর্ডসে পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ইংল্যান্ডের সিরিজ জয় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকের তলব বিদেশে উচ্চশিক্ষার ভিসা সহজ করতে মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ কমিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী অবৈধ ও লুণ্ঠিত অস্ত্রের তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশকেকে সিএমজির চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রদর্শন

ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে দ্রুত বিধিমালা: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

সিটি কর্পোরেশন ও শহরাঞ্চলসহ সারাদেশে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচল, নিবন্ধন, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা আনতে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রস্তাবিত বিধিমালার খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রোববার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ই-রিকশার চলাচল ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় ই-রিকশার নিবন্ধন, চলাচল, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন। এর আগে এ বিষয়ে একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পূর্ববর্তী সভাগুলোতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতিও এবারের বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়।

আলোচনায় নগর ব্যবস্থাপনা ও সড়কে যান চলাচলের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি ই-রিকশার ফিটনেস পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন, গ্যারেজ ব্যবস্থাপনা, চার্জিং অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, যাতে সাধারণ মানুষ অযথা ভোগান্তির শিকার হন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “জনগণকে কোনোভাবেই ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।”

তিনি বলেন, ই-রিকশা চলাচল ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সুষ্ঠু ও কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে নগর এলাকার যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা মিলবে। একই সঙ্গে সড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ই-রিকশার লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন ব্যবস্থার বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে লাইসেন্স ও নিবন্ধন কার্যক্রম চালু করা হলে এই যানবাহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। নিবন্ধনের আওতায় আনার মাধ্যমে ই-রিকশার সংখ্যা ও চলাচল সম্পর্কে একটি কার্যকর তথ্যভান্ডার তৈরির সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, ফিটনেস পরীক্ষা, চার্জিং ব্যবস্থা এবং অন্যান্য কারিগরি বিষয়কে একটি সংগঠিত কাঠামোর মধ্যে আনা প্রয়োজন। বর্তমানে চলাচলরত ই-রিকশাগুলোর ফিটনেস পরীক্ষা করে প্রত্যয়ন দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিধিমালা প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এহসান এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান বিশেষজ্ঞ হিসেবে ই-রিকশার কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।

সূত্র: স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সভায় দেওয়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD