ফাতেমা রহমান রুমা: পচাঁত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় জেল হত্যা। তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
জাতীয় এই চার বীর সন্তানদের স্মরণে গত ১১ নভেম্বর জার্মানির ফ্রাংকফ্রুটের স্থানীয় একটি অডিটোরিয়ামে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জার্মান আওয়ামী লীগ। দিবসটি পালন উপলক্ষে বিখ্যাত কোনো এক কবির মর্মস্পর্শি পঙক্তিমালায় জেল হত্যার খুনিদের বিচার চাওয়া হয় এভাবেই-
ওরা শিকার সমাপ্ত করে
ওরা লোলুপ্ত অবয়অবে শিকারে ঝাঁপিয়ে পড়ে
ওরা রক্তের তিমির কেটে রক্তে চালায়
ওরা দিশেহারা ছোটে আর লাশে লাশ সাজায়
ওরা মানুষের শরীরে আদিম সরীসৃপ
ওরা নির্লজ্জ রাবণের রূপকার পথিকৃৎ
ক্ষতগুলো আজো তাজা
ওদের নগ্ন থাবায়
এ ক্ষত শুকবাবে একদিন
ওদের দৃষ্টান্তমূলক সাজায়…
জেল হত্যা দিবসের আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন জার্মানি আওয়ামী লীগের আহবায়ক এবং এক সময়ের বিপ্লবী ছাত্রনেতা, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আর্দশিক নেতা জাহিদুল ইসলাম পুলক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসিন হায়দার। বিশেষ অতিথি সৈয়দ সেলিম, হাফিজুর রহমান আলম, সিকানদার খান, মাহফুজ ফারুক, আমান উল্লাহ ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নজরুল ইসলাম খালেদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জার্মানি আওয়ামী লীগের নেতা নোমান হামিদ, দেলোয়ার রাজু, শফিকুর রহমান শফি, মুক্তিযোদ্ধা মান্নান, নিয়ামুল ভুইয়া, কাজী হোসেন দীপ, মোঃ রিপন, নিয়ামুল ভুইয়া, পিনটু রহমান, সৈয়দ আহসান, ওয়াদুদ, জসিম,মানিক,বোরহান খান, সেন্টু, যুবলীগ নেতা কায়সার আলম, আশরাফুল টিপু, শাইখুল সোহেল, রিংকু, রাসেল, মহসিন, রহিত মজুমদার লোকমান, শাহিনসহ বিপুল সংখ্যক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।