জার্মানিতে মোতায়েন থাকা প্রায় ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এ সিদ্ধান্তে ন্যাটো জোটের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং মার্কিন রিপাবলিকান নেতারাও এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
পেন্টাগন জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর এই উদ্যোগ ট্রান্স-আটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য প্রতিরক্ষা খাতে আরও বিনিয়োগ ও যৌথ নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়ুস মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত অনেকটাই অনুমানযোগ্য ছিল। তবে বার্লিন জানিয়েছে, রামস্টাইন এয়ার বেসসহ গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনার আলোচনা হচ্ছে না।
এদিকে মার্কিন কংগ্রেসের দুই শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা রজার উইকার ও মাইক রজার্স বলেন, সেনা প্রত্যাহারের ফলে রাশিয়ার কাছে দুর্বলতার বার্তা যেতে পারে। তাদের মতে, ইউরোপীয় দেশগুলো প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ালেও পূর্ণ সামরিক সক্ষমতা অর্জনে এখনও সময় প্রয়োজন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তিনি সম্প্রতি ইতালি ও স্পেন থেকেও সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম