শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে: মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি, অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশিদের জন্য আবারও খুলছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা, বদলেছে আবেদন পদ্ধতি তরুণ শিল্পীদের সৃজনশীলতা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করায়: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার হবে: মির্জা ফখরুল দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২

খাল খনন কর্মসূচি পানি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে: আসাদুল হাবিব দুলু

জার্মান-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচব্যবস্থার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক ‘খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। এ কর্মসূচি একটি বিপ্লব বয়ে এনেছিলো। ফলে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ চাল রপ্তানী করেছিলো। শহীদ জিয়ার স্বপ্নপূরণে ‘খাল খনন’ কর্মসূচি বিএনপি আবার শুরু করেছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন করা হবে, যা দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

রবিবার (১০ মে) কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নের আরাজি পলাশবাড়ি মৌজার দাসের হাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ পর্যন্ত খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খাল খনন কর্মসূচির প্রভাব বহুমাত্রিক। প্রথমত, আধুনিক সেচ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব। সংরক্ষিত পানি ব্যবহার করে সেচ ব্যবস্থা উন্নত করা হলে কৃষকের খরচ কমবে এবং ফলন বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়ত, খালগুলো সারা বছর পানি ধরে রাখলে মাছচাষ ও হাঁস পালনসহ বহুমাত্রিক গ্রামীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে গ্রামীণ যুবকদের কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। তৃতীয়ত, খাল পুনঃখনন বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এ সময় কুড়িগ্রাম জেলা প্রাশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথসহ জেলা প্রশসনের কর্মকর্তাগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃ্ন্দ এবং বিপুল সংখ্যক জনতা উপস্থিত ছিলেন।

খালখনন কর্মসূচিটি ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’র (ইজিপিপি) বরাদ্দ দ্বারা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD