শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে: মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি, অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশিদের জন্য আবারও খুলছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা, বদলেছে আবেদন পদ্ধতি তরুণ শিল্পীদের সৃজনশীলতা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করায়: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার হবে: মির্জা ফখরুল দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২

খাদ্য নিরাপত্তা ধ্বংসে যুদ্ধকে অজুহাত করা চলবে না: সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

সম্প্রতি নিউইয়র্কে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দেন সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো।

প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস সাক্ষাৎকারে বলেন, সিয়েরা লিওন ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক সুদৃঢ় ও মজবুত, যার মূল স্তম্ভ হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা। চীন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেকে একজন নির্ভরযোগ্য বন্ধু হিসেবে প্রমাণ করেছে।

তিনি বলেন, সিয়েরা লিওনে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ সরাসরি মত্স্য  শিকারের কাজে নিয়োজিত। চীন আমাদের জন্য একটি সম্পূর্ণ সুসজ্জিত মৎস্য বন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা মৎস্যজীবীদের উচ্চতর মুনাফা অর্জনে সক্ষম করবে এবং একই সাথে সরকারকেও আরও বেশি রাজস্ব আয়ে সহায়তা করবে। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং আমাকে জানান, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন একটি বিরাট বাজার। চীন নিজের উন্নয়ন অর্জন করার পাশাপাশি, বন্ধুদেরকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি বিশ্বকে আরো শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন করতে পারে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, সিয়েরা লিওন বরাবরই ‘এক চীন নীতি’তে অবিচল থাকবে। তাইওয়ান হলো চীনের একটি অংশ।

খাদ্যশস্যের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘাতের ক্ষেত্রে, নিরাপত্তা পরিষদের উচিত সমগ্র বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করে, নৈতিক উচ্চ অবস্থানে থেকে এটি নিশ্চিত করা। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র বা পক্ষ যুদ্ধকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে, কৃষিজমি ধ্বংসের মাধ্যমে ক্ষুধা সৃষ্টি করতে বা খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলতে পারে না।
আফ্রিকার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, আমরা একই মহাদেশে বাস করি এবং তাদের ওপর নেমে আসা যেকোনো দুর্যোগ আমাদেরকেও প্রভাবিত করতে পারে। তাই, এই আন্তর্জাতিক হুমকি যৌথভাবে মোকাবিলার জন্য আমরা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানাই।

সূত্র:ছাই-আলিম-প্রেমা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD