শিরোনাম :
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি চীনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, নিরাপত্তা ও অভিবাসন সহযোগিতায় গুরুত্ব জাতিসংঘ ফোরামে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সরকার গঠনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীতসহ সৃজনশীল বিষয়ের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষকতায় সুযোগের উদ্যোগ তীব্র তাপপ্রবাহে ইতালিতে মৃত ৫, তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ‘প্রকৃত দায়ী কে, তা হয়তো জানা যাবে না’

শুল্ক হুমকি থেকে ইউক্রেন ইস্যু-মিত্রদের প্রতি মার্কিন আচরণে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আমেরিকান রাজনীতিবিদ হেনরি কিসিঞ্জার একবার মার্কিন-ইইউ সম্পর্ককে “সমস্যাজনক অংশীদারিত্ব” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এই সম্পর্কটি এখন সবচেয়ে কঠিন বিভাজনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

চলতি বছরের মিউনিখ নিরাপত্তা প্রতিবেদনে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার “সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাঘাতকারী” হিসেবে অভিহিত করে; একসময়ের উষ্ণ “ট্রান্সআটলান্টিক পারিবারিক নৈশভোজ” বিশেষভাবে ঠান্ডা ও এমনকি কিছুটা বিশ্রী বলে মনে হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী নেটিজেনদের মধ্যে চীনা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিজিটিএন দ্বারা পরিচালিত একটি জরিপে, ৮১.৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন যে, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও যৌথ মূল্যবোধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মার্কিন-ইইউ সম্পর্ক ভেঙে পড়েছে।

শুল্ক আরোপের হুমকি ও ইইউকে সামরিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে বাধ্য করা থেকে শুরু করে, ইউক্রেন আলোচনার টেবিল থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোকে বাদ দেওয়া এবং তারপর জোরপূর্বক গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের চেষ্টা করা পর্যন্ত, মার্কিন সরকারের বৈদেশিক নীতিতে পরিবর্তন বারবার তার ইউরোপীয় মিত্রদের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় নিরাপত্তার গ্যারান্টর থেকে রাজনৈতিক বাস্তুতন্ত্রের ব্যাহতকারী ও জাতীয় স্বার্থের শোষক হয়ে উঠেছে।

৮৮.৪ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন যে, মার্কিন পদক্ষেপগুলো ইউরোপীয় দেশগুলোর স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইউরোপের দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা নির্ভরতা স্বল্পমেয়াদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম, এবং ইউরোপের মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ কূটনৈতিক কণ্ঠস্বরের অভাব আত্ম-উদ্ধারের জন্য এর সম্ভাবনাকে আরও পরীক্ষায় ফেলবে।

৮৬.৬ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন যে, ইউরোপের অপর্যাপ্ত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও অভ্যন্তরীণ সংহতির অভাব মার্কিন একতরফা হুমকি মোকাবিলা করা কঠিন করে তোলে।

সূত্র: ওয়াং হাইমান-আলিম-ছাই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD